তৃষ্ণা মিটাতে ভ্রাম্যমান বেলের শরবত

প্রতিবেদক : এমএন /আর
প্রকাশিত: ২০ এপ্রিল, ২০১৮ ৯:০০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিনিধি: মৌসুম এখন গ্রীস্ম। বাসা থেকে বের হলেই উত্তপ্ত গরম। শারীরিক ক্লান্ত আর পিপাসা এ মৌসুমে নিত্য দিনের সঙ্গী। অনেকেই তৃষ্ণা মিটাতে পান করে বিভিন্ন পাণীয় দ্রব্য। শত ব্যস্ততার মাঝেও পথে দাড়িয়ে ঠান্ডা শরবত খেতে কার না ইচ্ছে করে। তৃষ্ণান্তদের কেমিক্যাল মুক্তভাবে পিপাসা দূর করতে মোস্তফার ভ্রাম্যমান বেলের শরবত।

এ শরবত খেতে ভীড় জমাচ্ছে পথচারীরা। অপেক্ষা দাড়িয়ে আছে বাজারে আসা ক্রেতাগণ। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার্থীরা ছুটে আসছে এ শরবত খেতে। অনেকে আবার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে অর্ডার করছেন। এমন দৃশ্য দেখা গেছে শুক্রবার (২০এপ্রিল) সাড়ে ১১টায় লক্ষ্মীপুর শহরের চকবাজারের নিউ ওয়েলকাম কসমেটিক্সের সামনে।

ক্রেতাদের ভীড়ে কথা হয় মোঃ মোস্তফার সাথে। তিনি মোহনানিউজের প্রতিবেদককে বলেন, বেলের শরবত তৈরি করতে মিক্স করণে একটা ম্যাশিন ব্যবহার করা হয়। তা হাতে চালিত। শরবতে থাকে বেল, চিনি, বরফ ইত্যাদি। প্রতিটি ছোট গ্লাসের শরবত ১০ টাকা ও বড় গ্লাস ২০টা করে বিক্রি করছেন তিনি।

দৈনিক ৩-৪ হাজার টাকার শরবত বিক্রি করেন। এর আগে তিনি চট্রগ্রামে ৪ বছর এ ব্যবসা করতেন। সেখানে প্রতিদিন বিক্রি করতে ১০-১২ হাজার টাকা। যার কারনে তিনি লক্ষ্মীপুর বেশিদি

ন থাকবেন না বলেও জানান।
জানাগেছে, মোস্তফা শেরপুর জেলার শ্রিপরদী উপজেলার পুড়াঘর গ্রামের বা

 

সিন্দা। দেশের বিভিন্ন জেলায় ভ্রাম্যমান শরবত বিক্রি করাই তার পেশা।

তিনি একটি অটো রিক্সার মধ্যে বেলগুলোকে সাঝিয়ে রেখেছেন। রাতে বেলায় আলোর জন্য অটো রিক্সার উপরে রয়েছে ২৫ ওয়ার্ড সোলার প্যানেল। বরফ জমা রাখার জন্য একটি ম্যাশিন। শরবত তৈরির জন্য রয়েছে ব্লেন্ডার। এ পেশাতে তিনি সফল। স্বচ্ছভাবে পরিবার চালাচ্ছেন।

পরীক্ষার্থী লামিয়া আক্তার হ্যাপি বলেন, এ গরমে পরীক্ষা দিয়ে ক্লান্ত হয়ে গেছি। বিদ্যুৎ না থাকায় আরো বেশি অস্থির লাগে। পরীক্ষা কেন্দ্র থেকে বের হয়ে বেলের শরবত খেয়ে সস্থী ফিরে এসেছে। এখন সতেজ লাগছে।
চকবাজারের ব্যবসায়ী সৌকত বলেন, সকাল থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে শারিরীকভাবে ক্লান্ত আর তৃষ্ণান্ত হয়েছি। ভ্রাম্যমান বেলের শরবত খেয়ে প্রাণ জুড়াচ্ছে। এখন পুরো শরীর শীতল লাগছে।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন