রায়পুরে টিকা নিবন্ধনে টাকা আদায়, ৩ স্বাস্থ্যকর্মী প্রত্যাহার

প্রতিবেদক : এমএন /আর
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট, ২০২১ ৫:৪০ অপরাহ্ণ

 

প্রত্যাহারকৃত কর্মীরা হলেন, উপজেলার চরপাতা ইউনিয়নের গাজিনগর কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি নুরজাহান বেগম, পরিবার কল্যাণ সহকারী চন্দনা রানী নাথ ও স্বাস্থ্য সহকারি সুনীল চন্দ্র দেবনাথ।

 

 

চরপাতার গাজীনগর এলাকার রঞ্জন আলী পাটওয়ারী বাড়ির মো. মিজান, রাশিদা বেগম, আনোয়ার উল্যা পাটওয়ারীসহ অনেকে জানান, কমিউনিটি সেন্টার ও রমজান আলী পাটওয়ারী বাড়ির ইপিআই টিকাকেন্দ্রে বসে করোনার জন্য নিবন্ধন করেন স্বাস্থ্য সহকারী সুনীল চন্দ্র দেবনাথ। জনপ্রতি ৫০ টাকা করে নিয়ে করোনার টিকার নিবন্ধন করে দেন। যারা টাকা দিতে পারেননি তাদের এনআইডি কার্ডের নাম্বার লিপিবদ্ধ করেননি। গত সোম, মঙ্গল ও বুধবার (৩ দিন) তিনি এখানে এ কার্যক্রম করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন গ্রামের লোকজন। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করে ক্লিনিকের সিএইচসিপি নুরজাহান।

 

স্বাস্থ্য সহকারী সুনিল চন্দ্র দেবনাথ বলেন, আমার ছেলের কম্পিউটার দিয়ে নিবন্ধন করিয়েছি। এটি আমার দায়িত্ব না হলেও আমি নিজ উদ্যোগে করোনার টিকার নিবন্ধনের জন্য এনআইডি নাম্বার খাতায় লিখে ৫০ টাকা করে কম্পিউটারের খরচ নিয়েছি। গত দু’দিনও অর্ধশতাধিক লোকের নিবন্ধন করে তাদের টিকা কার্ড দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজকে নিবন্ধনের জন্য টাকা দিয়েছেন এমন লোকের সংখ্যা প্রায় ৫০-৫৫ জন হবে। এদের কার্ড ২-৩ দিনের মধ্যে ক্লিনিকে নিয়ে দেওয়া হবে।

 

রায়পুর সরকারি হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাক্তার বাহারুল আলম বলেন, চরপাতা ইউপির গাজিনগর এলাকার দায়িত্বে থাকা তিন স্বাস্থ্যকর্মী টিকার রেজিস্ট্রেশনের নামে টাকা আদায় করে অন্যায় করেছেন। ঘটনাটি কর্তৃপক্ষের নজরে এলে সিভিল সার্জনের নির্দেশে তাদেরকে কেন্দ্র থেকে প্রতাহার করা হয়। এ ঘটনায় আমাকে প্রধান করে তিন সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করা হয়েছে। তারা দোষী প্রমাণিত হলে শাস্তি হবে। তাদের স্থানে শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় নতুন তিনজনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন