রামগঞ্জে সম্পত্তি দখলে নিতে বিধবাকে মারধর
নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরে রামগঞ্জে জোরপূর্বক সম্পত্তি দখলে নিতে আমেনা বেগম নামে এক বিধবাকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে।
এসময় বিধবাকে বাঁচাতে গেলে সাফায়াত উল্লাহ নামে এক কলেজ ছাত্রকে মারধর করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রাতে সাফায়াত সাংবাদিকদের কাছে স্কুল শিক্ষক বাহা উদ্দিনের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন।
জানা গেছে, বুধবার (১৭ জুলাই) সকালে উপজেলার কাশিম নগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে রামগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বিধবা আমেনা ওই গ্রামের মালের বাড়ির মৃত আানোয়ার উল্লাহ স্ত্রী। সাফায়াত একই বাড়ির মৃত হারুনুর রশিদ ছেলে ও রামগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।

অভিযুক্ত বাহা উদ্দিন উপজেলার কেএম ইউনাইটেড একাডেমির প্রধান শিক্ষক।
অভিযোগে বলা হয়, স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে আমেনা বেগমের সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের পাঁয়তারা করছে তার দেবর বাহা উদ্দিন ও সহিদুল্লাহ। ঘটনারদিন সকালে আমেনা গাছ থেকে নারিকেল পাড়ছিলেন। এসময় বাহা উদ্দিনরা গিয়ে বাধা দেয়। এতে দু’পক্ষ বাকবিতন্ডায় জড়িয়ে পড়ে। একপর্যায়ে বাহা উদ্দিন, সহিদুল্লাহ ও তার ছেলে মো. রিপন এবং নাজমুল আলম আরমান ক্ষিপ্ত হয়ে আমেনাকে লাঠিসোটা দিয়ে পিটিয়ে পা ভেঙে দেয়। এতে বাধা দিতে গেলে কলেজ ছাত্র সাফায়াতকেও পিটিয়ে হাত ভেঙে দেয়। এসময় তার মাথায় গুরুতর জখম হয়।
এব্যাপারে আমেনা বেগম বলেন, আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে বাহাউদ্দিনরা জোরপূর্বক সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা করছে। নারিকেল পাড়তে গেলে তারা আমাকে পিটিয়ে পা ভেঙে দেয়। আমি এ ঘটনায় মামলা করবো।
অভিযোগ অস্বীকার করে বাহা উদ্দিন বলেন, মারামারির ঘটনা আমি শুনেছি। তবে ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি আমাকে কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।