কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সম্মেলন যেসব কারণে পেছাতে পারে
বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নতুন সম্মেলন ৩১ মার্চ হওয়ার কথা থাকলেও মূলত তিনটি কারণে সেটি পিছিয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নির্ভরযোগ্য কয়েকটি সূত্র।
কি কি কারণে সম্মেলন পিছিয়ে যেতে পারে এমন প্রশ্নের জবাবে আওয়ামী লীগের কয়েকজন দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা যারা ছাত্রলীগেরও শীর্ষপদে ছিলেন তারা বলেন, সম্মেলন পিছিয়ে যাচ্ছে এমন কথা চূড়ান্তভাবে এখনই বলার সময় হয়নি। তবে সেটি মূলত তিনটি কারণে পিছিয়ে যেতে পারে বলে মনে করেন।
কারণগুলো হচ্ছে- (১) আগামী নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিএনপি এবং ছাত্রদলকে মোকাবিলা করতে ছাত্রলীগের বর্তমান নেতৃত্বের ওপর ভরসা রাখা। কারণ খালেদা জিয়ার সাজার পর ছাত্রলীগ মাঠ দখল করতে সফল হয়েছে এবং আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বতর্মান কমিটির সভাপতি এম সাইফুর রহমান এবং এস এম জাকির হোসাইনের ওপর সন্তুষ্ট। ইতালি সফর শেষে গতকাল শনিবার রাতে ফিরেই তিনি এমন সন্তুষ্টির কথা জানিয়েছেন।
দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে: নতুন নেতৃত্বের হাতে ছাত্রলীগ এ সময়ে গেলে সংগঠনকে গুছিয়ে আনতে যে সময় প্রয়োজন তা তারা পাবেন না। এক্ষেত্রে নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ছাত্রলীগের সম্মেলন পেছানোর পরামর্শও দিচ্ছেন কেউ কেউ।
সর্বশেষ তৃতীয় কারণটি হচ্ছে: বিএনপির ছাত্রদল, জামায়াতের শিবির এবং কয়েকটি বাম সংগঠনের ষড়যন্ত্রমূলক রাজনীতি বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে উত্তপ্ত করার পাঁয়তারা রোধে ছাত্রলীগ মাঠে থাকবে। এটা আওয়ামী লীগের সর্বোচ্চ মহলের চাওয়া। এদিক বিবেচনায় সর্বশেষ বাম সংগঠনগুলোর আন্দোলনকে স্মিমিত করে দিতেও সফল হয়েছে সোহাগ-জাকিরের কমিটি সাংগঠনিকভাবে সফল হয়েছে। এ কাজের পুরষ্কার হিসাবেও বর্তমান কমিটির মেয়াদ নির্বাচন পর্যন্ত থাকতে পারে।
এদিকে, ছাত্রলীগের সভাপতি এম সাইফুর রহমান সোহাগ এবং সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন অভিন্ন সুরেই বলেন, আমরা সম্মেলনের জন্য প্রস্তুত। সম্মেলন নিয়ে নেত্রী (শেখ হাসিনা) যে নির্দেশনা দিবেন তাই পালন করবো ইনসাল্লাহ। আর যত দিন দায়িত্ব পালন করবো ততদিন নিষ্ঠার সাথেই কাজ করে যাবো।