‘উপকূলবাসীর জন্য কাজ করতে চেয়ারম্যান প্রার্থী হবো’
নিজস্ব প্রতিনিধি: উপজেলা পরিষদের প্রার্থীদের দৌড়-ঝাপ শুরু হয়েছে। দলীয় মনোনয়ন পেতে নেতাদের কাছে তদবির করছেন প্রার্থীরা। আগামী ৩১ মার্চে লক্ষ্মীপুরে ৫টি উপজেলায় নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে। কমলনগর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন এডভোকেট আনোয়ারুল হক। তিনি কমলনগর উপজেলা ১৪ দলীয় জোট সভাপতি ও লক্ষ্মীপুর জজ কোর্টের আইনজীবী।
তিনি বলেন, আমি কমলনগরের উপকূলীয় তৃণমূলের মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবো। ইতোমধ্যে মাঠে নেতাকর্মীদের সাথে বৈঠক করেছি। নেতাকর্মীদের আশ্বাস নিয়েই আমার রাজনৈতিক পথচলা। বিগত দিনে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আব্দুল্যাহ আল মামুনের প্রতিনিধি হয়ে জনগণের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। এতে আমি জণগণের আস্থা অর্জন করেছি। দলীয় নেতাকর্মী ও জনগণ আমাকে নির্বাচন করতে উদ্বুদ্ধ করছে।
এ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক দক্ষিণ চর মার্টিন চৌধুরী বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি, হাজীপাড়া আল আরাফাহ্ দারুল উলুম দাখিল মাদ্রাসার সভাপতি এবং কমলনগর কলেজের গভর্ণিং বডির দায়িত্ব পালন করছেন। একজন শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি হিসেবে তিনি এলাকায় পরিচিত।
১৯৮১ সালে বি টি এন্ড টি বোর্ড বর্তমানে বিটিসিএলে কর্মজীবন শুরু করার পর কর্মক্ষেত্রেও সাংগঠনিক সফলতার পরিচয় দিয়ে জাতীয় শ্রমিক লীগের অন্তর্ভূক্ত সংগঠন টিএন্ডটি শ্রমিক কর্মচারী ফেডারেল ইউনিয়ন কমিটির মহাসচিব হিসেবে ১৯৯৭ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। দ্বিতীয় শ্রম আদালত ঢাকার সদস্য এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয় (টিসিসি) এর সদস্য ছিলেন। অঞ্চল ভিত্তিক সক্রিয় সংগঠন লক্ষ্মীপুর জেলা সমিতি ঢাকা এর ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেন এ্যাড. আনোয়ারুল হক।
বিএসএস (সন্মান),এমএসএস,এলএলবি ও এলএলএম ডিগ্রি লাভ করেও ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারী পূর্ব রাজনৈতিক ক্রান্তিকালে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনায় কমলনগর উপজেলার প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
জীবন বৃত্তান্ত সূত্রে আরো জানা যায়, ১৯৭৫ পরবর্তী আওয়ামী রাজনীতির ক্রান্তিকালে ১৯৭৭ সালে রামগতি থানা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৮ সালে রামগতি থানা ছাত্রলীগের সভাপতি,১৯৮০ সালে জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এবং ১৯৮০ সালে আলেকজান্ডার কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ভিপি পদে প্রার্থী ছিলেন।
পারিবারিকভাবেও এ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক একজন সফল ব্যক্তি। স্ত্রী মিসেস আমেনা বেগম বিএসএস (সন্মান) এমএসএস ডিগ্রি সম্পন্ন করে বিটিসিএলে কর্মরত, মেয়ে আইরিন পারভীন লুনা ফার্মাসিষ্ট (নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি), মেয়ে আফসানা পারভীন স্বর্ণা বিএসসি ইঞ্জিনিয়র (নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি) এবং ছেলে এম আবীর হাসান জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত এবং বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মকান্ডের সাথে সক্রিয়ভাবে জড়িত।
এ্যাডভোকেট আনোয়ারুল হক বলেন, আমি কমলনগরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য কাজ করেছি। দলের জন্য শ্রম দিয়েছি।অনেক পদ-পদবি থেকে বঞ্চিত হয়েছি।দল এসব ত্যাগ ও শ্রমের মূল্যায়ন করে আমাকে দলীয় মনোনয়ন দেবে বলে আমার বিশ্বাস।