লক্ষ্মীপুরে আইনজীবি আকবর হোসেনের বিরুদ্ধে করা চক্রান্ত ফাঁস
লক্ষ্মীপুরে আইনজীবি আকবর হোসেনের বিরুদ্ধে করা চক্রান্ত ফাঁস
লক্ষ্মীপুরে জজ আদালতের এক আইজীবির বিরুদ্ধে চক্রান্ত ফাঁস হয়েছে।
শুক্রবার (১৫ ডিসেম্বর) দুপুরে স্থানীয় একটি পত্রিকা কার্যালয়ে ইউছুফ আলী ঘটনার সত্যতা প্রকাশ করেন। তিনি সদর উপজেলার চর রুহিতা গ্রামের বাসিন্দা।
আইনজীবির নাম আকবর হোসেন রুবেল। তিনি উত্তর বাঞ্ছানগর গ্রামের মাসু মৃধ্যা বাড়ীর নূর নবীর ছেলে।
ঘটনার সত্যতা প্রকাশ করে ইউছুফ আলী বলেন, জমি সংক্রান্ত বিরোধ থাকায় একই এলাকার কামরুল হোসেন তার বাড়ীর সম্পর্কে চাচাতো ভাই আইনজীবী আকবর হোসেন রুবেলের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করে আসছে। কামরুলকে ইয়াবা দিয়ে পুলিশে দেওয়ার ঘটনা আকবর হোসেন রুবেল ও অন্য এলাকার সিএনজি চালক রাসেল এ ঘটনার সাথে জড়িত বলে আমি তাকে মোবাইলে বলতাম। আমি না বুঝে তার প্ররোচনায় মোবাইলে এভাবে ঘটনার কথাটি বলি।পরবর্তীতে কামরুল আমার সাথে দেখা করে তাহার সাথে আরো একজন লোক এনে আমাকে ভিডিও সামনে দাঁড় করিয়ে জোরপূর্বে সেখানে কথাগুলো ভিডিও করে নেয়। পরবর্তীতে কামরুল আমার এসব কথা বিভিন্ন জায়গাতে প্রচার করে। মূলত ইয়াবা দিয়ে কামরুলকে পুলিশ দেওয়ার ঘটনার সাথে আইনজীবি আকবর ও সিএনজি চালক রাসেল জড়িত নয়। এটি কামরুলের প্ররোচনায় আমি এসব মিথ্যা কথা বলেছি।
জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর জজ আদালতের আইনজীবি আকবর হোসেন রুবেল বলেন, আমাদের গ্রামের কামরুলকে পুলিশ কেন আটক করেছে তা আমার জানা নেই। কামরুলদের সাথে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছে।সিএনজি চালক কামরুল ইতিপূর্বে আমার ও আমার পরিবারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করেছে। যাহার সি,আর নাম্বার ৮৯১/১৯। পরবর্তীতে মামলার ঘটনা অসত্য প্রমাণিত হয়। আমাদের এলাকার আবু সিদ্দিক, নুরুল হুদা ও আমি আইনজীবী হওয়ার পূর্বে আমার বাবাকে মার ধর কুপিয়ে জখম করে তার জন্য আমি বাদী হয়ে মামলা করি যাহার জি,আর নাম্বার ২৭৫/১৭ইং। বর্তমানে উক্ত মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমান আছে। সম্প্রতি সিএনজি চালক কামরুল, নুরুল হুদা ও আবু সিদ্দিক সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে। এতে আমার মান-সম্মানও ভাবমূর্তি বিনষ্ট হয়েছে। আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিবো।
এর আগে গেল সোমবার দুপুরে কামরুল হোসেন শহরে একটি পত্রিকার অফিসে সংবাদ সম্মেলন করে আইনজীবীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ তুলেন।