সাংবাদিকরা সবচেয়ে বড় বুদ্ধিমান : লক্ষ্মীপুরে অতিরিক্ত ডিআইজি
নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত অতিরিক্ত উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) ড. এএইচএম কামরুজ্জামান বলেছেন, সাংবাদিকরা সমাজের তৃতীয় চক্ষু। তারা সবচেয়ে বড় বুদ্ধিমান (ইন্টেলিজেন্ট)। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় তারাও এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন। সাংবাদিকরা সামাজিক অসংগতিগুলো আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে তুলে ধরছেন, আর আমরা তা নির্মূল করার চেষ্টা করেছি।
বুধবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ের মিলনাতয়নে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি লক্ষ্মীপুর জেলার এসপি। সম্প্রতি কামরুজ্জামান পিপিএম (সেবা) অতিরিক্ত ডিআইজি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। চলতি মাসেই তিনি ঢাকা মেট্টোপলিটন পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার হিসেবে যোগদান করবেন।
কামরুজ্জামান বলেন, কিশোরদের কে আমি গ্যাং বলে সম্বোধন করবো না। তারা আমাদের-আপনাদেরই সন্তান। আমরা-আপনারা মিলে তাদেরকে বুঝাতে হবে। যারা ভুল পথে গিয়েছে তাদেরকে সশোধনের পথে আনতে হবে। পড়ালেখায় তাদের মনোযোগী করতে হবে। অপরাধ থেকে দূরে রাখতে অভিভাবকদেরকেই ভূমিকা রাখতে হবে। তাহলে কিশোররা আর গ্যাংয়ে পরিণত হবে না।
সিএনজি চালিত অটোরিকশার চাঁদাবাজি নিয়ে ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সিএনজি ৩ হাজার টাকা দিয়ে ভর্তি বাণিজ্যের ব্যাপারে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে। বিষয়টি কঠোরভাবে দেখা হবে।
মতবিনিময়কালে সাংবাদিকরা জেলার বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন। এরমধ্যে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, সিএনজি ভর্তি বাণিজ্য, সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধ, কিশোর গ্যাং, সদর মডেল থানায় সালিসি বৈঠকের নামে টাকা লেনদেন, হাইওয়ে পুলিশের চাঁদাবাজির তথ্য তুলে ধরেন। এছাড়া লক্ষ্মীপুর উত্তর তেমুহনী এলাকার বাংলা মদের দোকান অপসারণে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।
সভায় উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) পলাশ কান্তি নাথ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মংনেথোয়াই মারমা, ডিআইওয়ান একেএম আজিজুর রহমান, লক্ষ্মীপুর প্রেস ক্লাবের সভাপতি হোসাইন আহমেদ হেলাল, সাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম পাবেল, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং সেলের সদস্য সচিব জাকির ভূঁইয়া আজাদ ও লক্ষ্মীপুর অনলাইন সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সানা উল্লাহ সানুসহ অনেকেই।