উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে ১২০০ ঘর পুড়ে ছাই
কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা শিবিরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১২০০ ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
রবিবার (৯ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে শফিউল্লাহ কাটা ১৬নং ক্যাম্পে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার আগেই ১ হাজার ২শ ঘর ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় ৫ হাজার রোহিঙ্গা গৃহহীন হয়ে খোলা আকাশের নিচে ও পার্শ্ববর্তী ক্যাম্প আশ্রয় নিয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী এক রোহিঙ্গা বলেন, আগুন দেখার পর পরিবার-পরিজন নিয়ে বেরিয়ে এসেছি। তবে আগুন মুহূর্তের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় ঘরের কিছু রক্ষা করতে পারেনি। পরিবারের ১১ সদস্য নিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে অবস্থান করছি।
রোহিঙ্গা শিবিরে দায়িত্বরত ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কামরান হোসেন জানান, বি-ব্লকের মোহাম্মদ আলীর (৩৫) ঘরের গ্যাসের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। পরে আগুন ক্যাম্পের ব্লক-বি ও ব্লক-সি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
তিনি আরো জানান, খবর পেয়ে ৮ এপিবিএনের অফিসার ফোর্স এবং উখিয়া ফায়ার সার্ভিসের ৮ ইউনিটের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ১ হাজার ২শ ঘর পুড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এ বিষয়ে কক্সবাজার ত্রাণ ও শরণার্থী প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ রেজওয়ান হায়াত বলেন, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে আমি দ্রুত ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই। এখন পর্যন্ত হতাহতের কোনো খবর আমরা পায়নি। তবে অল্প সময়ের মধ্যে হাজারখানেক ঘর পুড়ে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টি পরে বলা যাবে। এখন ঘর পুড়ে যাওয়া রোহিঙ্গাদের যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য দ্রুত বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি তাদের জন্য খাবারেরও ব্যবস্থা করা হচ্ছে।