লক্ষ্মীপুরে সামাজিক দূরত্বের ধার ধারছে না কেউ, হাটবাজারে উপচে পড়া ভীড়

প্রতিবেদক : এমএন/ এমএস
প্রকাশিত: ১৬ এপ্রিল, ২০২০ ৩:৫১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব  প্রতিবেদক: সরকারের নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে প্রতিদিন সকালে শত শত মানুষের উপচে পড়া ভিড় ও দীর্ঘক্ষণ যানবাহনের যানজটও লেগে থাকে ঘন্টার পর ঘন্টা। মানছেন না কেউ সামাজিক দূরত্ব । এমন নানা অভিযোগের ভিত্তিতে হ্যান্ড মাইক হাতে নিয়ে সর্তক বার্তা নিয়ে হাজির হন ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন মুশু পাটোয়ারী।

বলছি লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার পিয়ারাপুর বাজারের কথা। এ বাজারে প্রতিদিন কাঁচাবাজার মিলে। ফলে কালিরচর, টুমচর, এনায়েতপুর, ভবানীগঞ্জ, সূতারগোফটা, চরভূতা, চরমনসা গ্রামের ও বিভিন্ন জেলার কৃষকরা শাকসবজি নিয়ে এ হাটে বসেন।
এতে  জেলা ও জেলার বাহিরের বিভিন্নস্থান থেকে ক্রেতা ও বিক্রেতা এসে জড়ো হন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করা হচ্ছে সামাজিক দূরত্ব বজায় চলতে। কেউ কর্ণপাত করছেন না। সরেজমিন গিয়ে এমন দৃশ্যও দেখা যায়। ক্ষমতাশীল দলের নেতা বাজার ইজারাদার বলে এসব নিয়মনীতি উপেক্ষা করে প্রতিদিন এ হাটে লোকজন গণজমায়েত হয়। সংবাদকর্মীদের দেখানোর জন্য  হঠাৎ বাজার ইজারাদারও হ্যান্ড মাইক হাতে নিয়ে বারবার সচেতনতামূকল বক্তব্য দিতে দেখা গেছে।
নামপ্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন সচেতন ব্যক্তি বলেন, করোনাভাইরাসের মহামারিতে আজ বিশ্ব আতংকে। সরকার গণজমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষনা করলেনও তা উপেক্ষা করে প্রতিদিন এ হাটে লোকজনের গণজমায়েত দেখা যায়। প্রশাসনকে দেখলে সবাই সটকে পড়ে। প্রশাসন চলে গেলে আবার মানুষের গণজমায়েত হয়। যদি জেলা প্রশাসকসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নজর দিতো তাহলে হাটে গণজমায়েত কমে যেত।
জানতে চাইলে এসব দৃশ্য অস্বীকার করে বাজার ইজারদার মোঃ রুপম হাওলাদার বলেন, এখানকার বেশির ভাগ কৃষক মাক্স পড়ে হাটে উঠে। আমার পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে মাক্স বিতরণও করেছি। প্রতিদিন দূরত্ব বজায় রেখে কেনাকাটা করার জন্য পরামর্শ ও দিয়ে আসছি। লক্ষ্মীপুরের জন্য এ হাট-বাজার সবচেয়ে বড়-বাজার দুই ঘন্টা বিতরে বাজার ভেঙে যায়।
লাহারকান্দি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ মোশারফ হোসেন মুশু পাটোয়ারী বলেন, করোনা-ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসকের পক্ষ থেকে বারবার সামাজিক দূরত্ব বজায় চলতে বলা হয়েছে। তাই আজ পিয়ারাপুর বাজার এসে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে মাইকিং করা হয়েছে। এখানে যে গণজমায়েত হয় এবিষয় সংশ্লিষ্ট  কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন