রামগঞ্জে প্রবাসীর জমিতে জোরপূর্বক দোকানঘর নির্মাণ
নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে প্রবাসী পরিবারের জমি জোরপূর্বক দখল করে দোকানঘর নির্মাণ করেছে প্রতিপক্ষ। জমি নিয়ে আদালতের দুটি রায় প্রবাসী পরিবারের পক্ষে রয়েছে।
কিন্তু আদালতের রায় অমান্য করেই প্রতিপক্ষ জসিম উদ্দন আটিয়ার লোকজন জোরপূর্বক দোকানঘর নির্মাণ করে। শনিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রবাসী পরিবারের আবদুল বারেক স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে এ অভিযোগ করেন।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী নুরনবী মীর ও জহির মীর দুই ভাই ইটালি প্রবাসী। তাদের বড় ভাই আব্দুল বারেক হোসেন বাড়িতে থাকেন। দীর্ঘদিন থেকে প্রবাসী পরিবারের সঙ্গে জসিম উদ্দিন আটিয়াদের সঙ্গে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। ওই দুই প্রবাসীর অনুপস্থিতে নাছিরের লোকজন রাতের আঁধারে রামগঞ্জের সোনাপুর এলাকার ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন ৯ শতাংশ জমিটি ওপর জোরপূর্বক একটি টিনসেট দোকানঘর নির্মাণ করে।
অভিযোগ করে আবদুল বারেক বলেন, ২০১০ সালে রামগঞ্জের ৬৬ নং নন্দনপুর মৌজার সিএস জরিপে ৬০ নং খতিয়ানে মনির আটিয়া থেকে ৯ শতাংশ জমি ক্রয় করে। যার দলিল নম্বর ৬৩৭৭ ও ৬৪৯৩। সম্প্রতি ওই জমিতে নাছির উদ্দিন আটিয়া রাতের আঁধারে একটি দোকনঘর নির্মাণ করে। কিন্তু ওই জমি নিয়ে আদালতের দুটি রায় আমাদের পক্ষে রয়েছে।
এরপরও তার জোরপূর্বক জমিটি দখল করে। এদিকে আমার ছোট ভাই প্রবাসী আকবর পাশের একটি জমিতে নিরাপত্তা প্রাচীর করতে গেলে তারা কাজটি বন্ধ করে দেয়। কিন্তু ওই জমি নিয়ে কোন মামলা-মোকাদ্দমাও নেই। আদালতের রায়ে আমাদের জমিটি তাদের দোকানঘর সরিয়ে নিতে বলা হয়েছে। কিন্তু তারা জমিটি জোরপূর্বক দখল করে আছে। জমিটি অবৈধ দখলদারদের কাছ থেকে উদ্ধার করতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন প্রবাসী পরিবার।
অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী আটিয়া বলেন, জমিটি আমাদের। আমারা নিজেদের জমিতে দোকানঘর নির্মাণ করেছি। এ জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলে। এখনো মামলার রায় হয়নি।