লক্ষ্মীপুর অপহরণের ১৪ ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রী উদ্ধার, যুবক কারাগারে
নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরে অপহরণের ১৪ ঘণ্টা পর ১২ বছর বয়সি এক স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলার আমিশাপাড়া এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ সময় অপহরণে জড়িত থাকার অভিযোগে জহিরুল আলম তিহান নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সোমবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে রবিবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জের আফজাল রোড এলাকা থেকে ওই ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। একই দিন রাত দেড়টার দিকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ।
সোমবার সকালে ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে তিহানসহ তিনজনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
গ্রেপ্তার তিহান চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের পশ্চিম লতিফপুর গ্রামের নুর আলম স্বপনের ছেলে।
অপহৃত ছাত্রী তার বাবা-মায়ের সঙ্গে চন্দ্রগঞ্জ আফজাল রোড এলাকায় একটি বাসা ভাড়া করে থাকে। তারা নোয়াখালীর চাটখিল থানা এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ জানায়, ভিক্টিম স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার সময় প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে সে বাড়ি থেকে বের হয়। এ সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছলে তিহানসহ সহযোগীরা তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে এ ঘটনা ছাত্রীর বাবা চন্দ্রগঞ্জ থানা পুলিশকে অবহিত করে। পরে প্রযুক্তির মাধ্যমে র্যাব-১১ নোয়াখালী ক্যাম্পের সহযোগিতায় সোনাইমুড়ির আমিশাপাড়া এলাকার একটি ভবন থেকে ছাত্রীকে উদ্ধার করা হয়। সেখান থেকে তিহানকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ওসি তহিদুল ইসলাম বলেন, আদালতে ভিক্টিম জবানবন্দি দিয়েছে। ছাত্রীর বাবার দায়েরকৃত মামলায় অভিযুক্ত তিহানকে আদালতে সৌপর্দ করা হয়। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।