রামগঞ্জে যুবলীগ নেতার ওপর হামলা

প্রতিবেদক : এমএন/ এমএস
প্রকাশিত: ২ মে, ২০২২ ৩:৩৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান টিটুর ওপর সংঘবদ্ধ হামলা হয়েছে। এ সময় ৩ যুবলীগ নেতাকে পিটিয়ে আহত করা হয়। ভাঙচুর করা হয় দুটি মোটরসাইকেল। রবিবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার কাটাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

হামলার শিকার টিটুর অভিযোগ, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক সৈকত মাহমুদ শামছুর নেতৃত্বে ৪০-৫০ জন লোক হামলা ও ভাঙচুর করে। তাঁরা আগ থেকেই ওত পেতে ছিল। ঘটনার পর হামলাকারীরা দ্রুত চলে যায়।

স্থানীয় লোকজন ও আহতদের ভাষ্যমতে, টিটু নেতাদের সঙ্গে নিয়ে দুটি মোটরসাইকেলযোগে ঘটনার সময় কেন্দ্রীয় যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হাবিবুর রহমান পবনের নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বাড়িতে যাচ্ছিলেন। কাটাখালী ব্রিজ পার হলে সৈকত মাহমুদ শামছুসহ লোকজন তাঁদের পথরোধ করে। এ সময় কিছু বুঝে ওঠার আগেই কাঞ্চনপুরের চৌধুরী, রব ও রাজুসহ লোকজন তাঁদের মারধর ও মোটরসাইকেলগুলো ভাঙচুর করে। এ ঘটনায় টিটু, ফারুক হোসেন ও মো. জহির আহত হন। তারা স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিয়েছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে উপজেলা আওয়ামী লীগের দুজন মধ্যম সারির নেতা জানান, সৈকত মাহমুদ শামছু এমপি আনোয়ার হোসেন খানের অনুসারী। আহতরা যুবলীগ নেতা পবনের অনুগত। আনোয়ার খান ও পবনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন বিষয়ে দ্বন্দ্ব চলছে। এর জের ধরে টিটুদের ওপর হামলা হয়। পবনের বাড়িতে কারা আসা-যাওয়া করছেন তা এমপির অনুসারীরা নজরে রাখছে বলেও ওই নেতারা জানান।

সোমবার দুপুরে যুবলীগ নেতা সৈকত মাহমুদ শামছুর বক্তব্য জানতে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি। এসএমএস পাঠিয়েও সাড়া মেলেনি।
রামগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইমদাদুল হক বলেন, ‘খবর পেয়ে এসআই অলি উল্যা ঘটনাস্থলে গেছেন। সেখানে কাউকে পাননি। থানায় কেউ অভিযোগ করেনি। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে ঘটনাটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।’

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন