এক বছরের প্রেম, বিয়ে করতে ইতালির তরুণী রামুতে

প্রতিবেদক : এমএন/ এমএস
প্রকাশিত: ১৩ নভেম্বর, ২০২২ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ

রুনেক্স বড়ুয়ার সঙ্গে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে ইতালির তরুণী রুবেরটা এখন কক্সবাজারের রামুতে। তিন দিন ধরে তারা অবস্থান করছেন রামু উপজেলা সদরের হাইটুপি বড়ুয়া পাড়ায়। চলতি মাসের শেষের দিকে এখানে হবে রুনেক্স-রুবেরটা বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান।

রামু হাইটুপি পাড়ার বিকাশ বড়ুয়ার ছেলে রুনেক্স বড়ুয়া (২৮) ও ইতালি তরুণী রুবেরটার (২৩) প্রেমের সম্পর্ক চলে গত তিন বছর ধরে।
রুনেক্সের পরিবারের সদস্যরা জানান, দুজনের বিয়ের সিদ্ধান্ত উভয়ের পরিবারই সম্মতি জানিয়েছে। তারা ইতালিতে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়ে কক্সবাজারের পৈত্রিক বাড়িতে এসেছেন বিবাহত্তোর অনুষ্ঠান সম্পন্ন করার জন্য।

বিদেশি বউকে দেখতে রুনেক্স বড়ুয়ার বাড়িতে প্রতিবেশী ও স্বজনদের ভিড় লেগে আছে। স্বজনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেই কাটছে এই নবদম্পতির সময়। গত কদিনেই ইতালির তরুণী রুবেরটা শিখে নিয়েছেন শাড়ি পরাটাও। কিছু কিছু বাংলা শব্দও রপ্ত করে নিয়েছেন।

শনিবার সন্ধ্যায় রুনেক্স বড়ুয়া বলেন, ‘আমি ইতালিতে গিয়ে একটি হোটেলে চাকরি নিয়েই পরিচয় হয় রুবেরটার সঙ্গে। সেও ওই হোটেলের চাকরি করে। সেই পরিচয় থেকেই আমাদের দুজনের প্রেম-ভালোবাসা এবং বিয়ে।’
রুনেক্স জানান, তার বাবা বিকাশ বড়ুয়া ফ্রান্স প্রবাসী। দুজনের পারিবারিক সিদ্ধান্তেই তাদের বিয়ে হয়।

রুনেক্স বড়ুয়াদের পৈত্রিক বাড়ি কক্সবাজারের উখিয়ার রাজাপালং ইউনিয়নের শিলেরছড়া গ্রামে। মা সুমি বড়ুয়ার বাপের বাড়ি রামু সদরের হাইটুপি বড়ুয়া পাড়ায়। তিনি (সুমি বড়ুয়া) বর্তমানে রামুতেই একটি বাড়ি করে তিন কন্যা নিয়ে বসবাস করছেন। বিয়ে পরবর্তী অনুষ্ঠানটি হবে এ মাসের শেষের দিকে উখিয়ায় পৈত্রিক বাড়িতে।

ইতালির কনে বউ হয়ে এখানে আসায় আত্মীয়-স্বজনদের ভিড় পড়েছে। স্বজনরা একের পর এক তাদের দাওয়াত দিচ্ছেন। ইতালির তরুণী শাড়ি পরেই স্বজনদের ঘরে ঘরে যাচ্ছেন।
রুনেক্স জানান, তারা এক মাসের ভিসা নিয়ে এসেছেন বাংলাদেশে। তার স্ত্রী বাংলাদেশের সবুজ গ্রাম আর এখানকার মানুষের ব্যবহারে মুগ্ধ। বাংলাদেশকে আরো কিছুদিন মন ভরে দেখে যেতে চান রুবেরটা।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন