উন্নয়নকর্মে লক্ষ্মীপুর-২ আসন উদাহরণ হোক সারাদেশে
নিজস্ব প্রতিবেদক: এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন। সংগঠক ও রাজনীতি। সঙ্গে তিনি সমাজসেবক হিসেবেও পরিচিত। নয়ন লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি লক্ষ্মীপুর-২ আসনে উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের এমপি প্রার্থী। মনোনয়ন পাওয়ার পর থেকে তুমুল ব্যস্ততা তাঁর। রাত-দিন সমানতালে যাচ্ছেন নির্বাচনী এলাকায়। শুনছেন বঞ্চিত মানুষের কথা, দিচ্ছেন প্রতিশ্রুতি। এডভোকেট নয়নের তৎপরতায় অনেকের সঙ্গে মুগ্ধ সাবেক ছাত্রনেতা চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেলও। তিনি সোমবার রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন …
সাংগঠনিক নেতৃত্বের নান্দনিকতা, জনপ্রতিনিধির কর্মদক্ষতার নৈপূর্ণতায় সময়ের সেরা উদাহরণ হয়ে উঠেছেন এডভোকেট নুরউদ্দিন চৌধুরী নয়ন।
প্রথমত, তিনি জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়ে বিরামহীনভাবে ছুটে চলছেন জেলার এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। লক্ষ্য সংগঠনকে গতিশীল ও নৌকার বিজয় সুনিশ্চিত করা। তিনি পেরেছেন জেলার প্রতিটি ইউনিয়ন, পৌর, উপজেলা এবং জাতীয় নির্বাচনে নৌকা প্রতিকের বিজয় সুনিশ্চিত করতে। যা অকল্পনীয় ছিল জামায়াত-বিএনপির এ ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত এ লক্ষ্মীপুরে।
দ্বিতীয়ত, সংগঠনের সাফল্য ও দলের অব্যাহত বিজয়ের মূল কান্ডারী হিসেবে প্রিয়নেত্রী বঙ্গকন্যা শেখ হাসিনা পুরস্কার হিসেবে আপনাকে (নয়ন) লক্ষ্মীপুর -২ আসনের উপনির্বাচনে প্রার্থী মনোনীত করেছেন। যা ছিল তৃনমূলের নেতাকর্মীদের জন্য প্রিয়নেত্রীর সবচেয়ে বড় উপহার। আপনাকে বরণ করতে সেইদিন হাজার-হাজার নেতাকর্মীর ফুল হাতে প্রাণচঞ্চল উপস্থিতি তারই প্রমাণ।
এরপর আর কি …
প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে, প্রতিটি ইউনিয়ন, ওয়ার্ডে ও প্রতিটি ঘরে জোয়ার উঠেছে নৌকার। শ্লোগানমুখর এলাকা। হঠাৎ করোনা বৃদ্ধির কারণে সবাই থমকে গেছে, নির্বাচন কমিশন থেকে ঘোষণা আসে নির্বাচন স্থগিতের। কিন্তু আপনি থামেননি । জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন গ্রামে-গ্রামে।
নিজের অর্থায়নে ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি ইউনিয়নে নিজে উপস্থিতি থেকে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে তুলে দিয়েছেন বিপুল ঈদ উপহার।
এসব শাড়ি ও লুঙ্গি পেয়ে বঞ্চিত অনেকেই আড়ালে কাঁদতে দেখেছি।
আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ইফতারের আয়োজনের মাধ্যমে প্রতিটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আওয়ামী লীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সহযোগী সংগঠনের নেতা, জেলা/উপজেলার সিনিয়র নেতা ও সাবেক ছাত্রনেতাদের। সবার হাতে তুলে দিয়েছেন অসাধারণ ঈদ উপহার। যা ছিল অপ্রত্যাশিত। এনিয়েও সবার মুখেই লেপ্টে ছিল প্রশংসা!
তিনি (এডভোকেট নয়ন) সর্বত্র প্রকাশ্যে ঘোষণা দিচ্ছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন ছুঁয়ে যাবে নির্বাচনী আসনের প্রতিটি প্রান্তে। জনগন বিনামূল্যে পাবেন সরকারি গভীর নলকূপ (টিউবওয়েল)। এমপির উন্নয়ন বরাদ্ধ তো থাকবেই।
এমনকি টিউবওয়েল পেতে সরকারি যে অর্থ (৭ হাজার ২০০ টাকা) তা নিজে পরিশোধ করবেন। বাহ…
আরো আছে ঘোষণা এমপির উন্নয়ন বরাদ্দ পেতে কোন কমিশন নয়। বরং কমিশন বাণিজ্যকারীদের ছাড় নয়। খেতে হবে জেলের ভাত।
আপনার পথচলায় আমরা অতীতের ন্যায় শর্তহীনভাবে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে শেখ হাসিনার প্রতি অবিচল আস্থা রেখে সিপাহশালা হয়ে ছিলাম, আছি, থাকবো।
পরিশেষে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা এবং শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ পরিপূর্ণতা পাচ্ছে। আর উন্নয়নকর্মে আপনার হাত ধরেই লক্ষ্মীপুর-২ আসন উদাহরণ হয়ে ছড়িয়ে যাবে পুরো বাংলাদেশ।
সেই প্রত্যাশা থেকে শুভ কামনা। ভালোবাসা থাকবে ভাই । জয় বাংলা বলে আগে বাড়ো ।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেল
সাবেক সভাপতি, জেলা ছাত্রলীগ, লক্ষ্মীপুর।