ভোট চুরি করলে এ দেশের মানুষ তা মেনে নেবে না: শেখ হাসিনা

প্রতিবেদক : এমএন/ এমএস
প্রকাশিত: ২৪ ডিসেম্বর, ২০২২ ১:৩৬ অপরাহ্ণ

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘১৯৯৬ সালে খালেদা জিয়া ভোট চুরি করে ক্ষমতায় আসতে চেয়েছিল। বাংলার জনগণ তাকে বাধ্য করেছিল ক্ষমতা ছাড়তে। ভোট চুরি করলে বাংলাদেশের মানুষ কখনো মেনে নেয়নি, মেনে নেবেও না। পরে আবার যখন নির্বাচন দেয়, সেই নির্বাচনে আমরা জয়লাভ করেছি।’ শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে আওয়ামী লীগের ২২তম সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১০টা হুন্ডা ২০টা গুন্ডা নির্বাচন ঠান্ডা-এই নীতিই ছিল বিএনপির আমলে। আমরা পরে একটা নির্বাচনকালীন সরকারের প্রস্তাব দিই। ছবিসহ ভোটার তালিকা, স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ‘আমার ভোট আমি দেবো, যাকে খুশি তাকে দেবো’ স্লোগান; এগুলো আমরাই চালু করেছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে অনেকে বিতর্কিত কথা বলে। কিন্তু আমরা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করি না। আমরা নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন করে দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে তাদের আর্থিক সক্ষমতা নিজেদের দিয়ে দেওয়া হয়েছে। আমরা ভোটার আইডি কার্ড করে দিয়েছি। যেন ভোটে কারচুপি না হয়।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এ রকম এক সম্মেলনে আমার অনুপস্থিতিতে আমাকে সভাপতি করা হয়। ছেলেমেদের দায়িত্ব রেহানার ওপর ছেড়ে দিয়ে চলে এসেছিলাম। স্বাধীনতার সুফল যেন মানুষের ঘরে ঘরে পৌঁছায়, সেটাই ছিল লক্ষ্য।’

তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যাতে সরকারে না আসতে পারে, অনেক চেষ্টা করেছে। কিন্তু বাংলাদেশের এতটুকু স্বার্থ আমার জীবন থাকতে কারও হাতে তুলে দেব না, এটাই ছিল আমার প্রতিজ্ঞা।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতা চেয়েছিলেন বাংলাদেশ হবে ক্ষুধা-দারিদ্র্যমুক্ত সোনার বাংলাদেশ। তিনি দেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করতে চেয়েছিলেন। দুর্ভাগ্য তিনি সেটা পারেননি। আমরা সেটা করছি।’

আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম। শোক প্রস্তাব পাঠ করেন দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন