রশিদের দিনকাল…

প্রতিবেদক : এমএন/ এমএস
প্রকাশিত: ১৯ জুলাই, ২০২২ ২:১০ অপরাহ্ণ

বুঝ-জ্ঞান হওয়ার পর থেকে আবদুর রশিদ অভাবের সঙ্গে বেশ পরিচিত। টানা-পোড়নের সঙ্গে গভীর বন্ধুত্ব। ৩০ বছর আগে বরিশালের মেহেদীগঞ্জ উপজেলার তেতুলিয়া গ্রাম থেকে তিনি লক্ষ্মীপুরে এসেছিলেন। এরমধ্যে হরেক রকমের চড়াই-উৎরাই দেখেছেন।

৪৫ বছর বয়সি রশিদ টাকার অভাবে স্ত্রী মিনারা বেগমের চিকিৎসাও করাতে পারেনি। দুই বছর আগে মিনারা পৃথিবীকে বিদায় জানিয়েছেন। ৪ ছেলে-মেয়ে নিয়ে রশিদের সংগ্রাম। নিত্য পণ্যের লাগামহীনতায় তাঁর কষ্ট বেড়েছে কয়েকগুণ। চাল আনলে তরকারি নেই, লবন আনলে তেল নেই -জোড়াতালি দিয়েই যাচ্ছে দিন। স্বপ্ন বলতে, শুধু দু’বেলা খেয়ে বেঁচে থাকা।

লক্ষ্মীপুর পৌরসভার পশ্চিম বাঞ্চানগর এলাকায় পাউবোর বেড়িবাঁধের উপরের একাংশে রশিদ ৩ বছর ধরে অস্থায়ী চা দোকান করছেন। চারপাশ খোলা, উপরে প্লাষ্টিকের কাগজ। সুপারি গাছের কাঠি (গড়িয়া) দিয়ে তৈরী এ মাচা দোকানে চা সরঞ্জামসহ দু-একটি পণ্য রয়েছে। পুঁজি নেই। সেখানে সকাল-বিকেল ২০০-৩০০ টাকা বেচা-বিক্রি হয়। এছাড়া সরকারি বেড়িবাঁধের কোলঘোষা খালপাড়ের তাঁর ছোট্ট ঘরে অভাব যেন ঠাসা। এনিয়েই কোনমতো রশিদের দিনকাল। তাঁর জীবন এবং সময়ের ঘড়ি ছুটে চলছে দিনের পর দিন, মাস, বছরের পর বছর …

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন