উইকেট দেয়া যাবে না, এটাই ছিল প্লান: আফিফ

প্রতিবেদক : এমএন/ এমএস
প্রকাশিত: ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ১১:৩৫ অপরাহ্ণ

২১৬ রান তাড়া করতে এসে শুরুতে ছিন্ন ভিন্ন বাংলাদেশ ! স্কোরশিটের চেহারা ৪৫/৬! এমন এক পরিস্থিতি থেকে ২১৬ তাড়া করে জয়ের স্বপ্ন দেখার কথা নয় কারো।

অথচ, এমন এক দুর্বিষ পরিস্থিতিতে শুধু দলকে টেনে তোলেননি আফিফ-মিরাজ, ৭ম উইকেট জুটিতে বাংলাদেশের রেকর্ড ১৭৪ রানে ৭বল হাতে রেখে ৬ জিতে অবিশ্বাস্য এক উপহার দিয়েছেন এই জুটি !
দলকে জেতাতে হলে ৭ম উইকেট জুটিতে দ্বিতীয় বিশ্বরেকর্ড করতে হবে। এমন বড় কোনো টার্গেট নিয়ে মিরাজের সঙ্গে ব্যাট করেননি বলে ম্যাচ শেষে বলেছেন আফিফ। কোনো মতে উইকেট দেয়া যাবে না। খেলতে হবে শেষ বল পর্যন্ত।

মিরাজের সঙ্গে এই সংকল্পই ছিল আফিফের-‘৬ উইকেট পড়ে যাবার পর মিরাজ ভাই-এর সাথে একটাই কথা হয়েছে, যা হয় হোক-উইকেট দিব না। পুরো খেলায় আমরা কখনো ম্যাচ জেতার কথা বলিনি। একটা কথাই বলেছি, শেষ বল পর্যন্ত খেলব।’
ড্রেসিং রুম থেকেও নাকি এ বার্তাই ছিল-‘উইকেট যেনো না দেই, ডেসিং রুম থেকেও এই বার্তা ছিল। ড্রেসিং রুম থেকে বলা হয়েছে, যেভাবে ব্যাট করছি, এভাবে যেনো থাকি।’
আফগানিস্তানের তিন স্পিনার রশিদ খান, মুজিব জাদরান এবং মোহাম্মদ নবীকে সমীহ করে পেসারদের উপর প্রতি আক্রমনের লক্ষ্য ছিল। এমনটাই বলেছেন আফিফ-‘ ওদের তিন স্পিনার ওয়ার্ল্ড ক্লাস। ওদের বিপক্ষে রান আসলে ভাল, না আসলেও ভাল। উইকেট কোনোমতে দেয়া যাবে না। একটা সময় তো পেস বোলিং করতে হবে। তখন দেখব। যদি শেষ ৫ ওভারে ৪০-৫০ ও দরকার হয়, তখন তা শেষ করব।’
মিরাজ মাঝে মাঝে বাউন্ডারি মেরে আস্কিং রেটের তাড়া কমিয়ে এনেছেন বলে জানিয়েছেন আফিফ-‘মিরাজ ভাই ভাল ব্যাট করেছে। যখন অনেকগুলো বল ডট হয়েছে, তখন বাউন্ডারি বের করেছেন উনি। ‘
একটা একটা করে বল টার্গেট করেন আফিফ। এটাই তার দর্শন-‘আমি যখন ব্যাটিং করি, তখন ম্যাচ নিয়ে প্লান করিনা। প্রতিটি বল নিয়ে প্লান করি। কিভাবে এই বলটা খেলব। সেটাই থাকে প্লান। ‘ এই ইনিংসকে নিজের সেরা বলছেন আফিফ। দেশের জন্য ভাল কিছু করতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে হচ্ছে তার-‘আমার কাছে এই ইনিংসটা সেরা। কারণ, এই ইনিংসে ওয়ার্ল্ড ক্লাস বোলারদের ফেস করেছি।
দেশের জন্য ভাল খেলা সব সময় গর্বের ব্যাপার। সাধারণত এরকম সুযোগ খুব একটা আসে না। আজ যখন পেয়েছি, তখন তা কাজে লাগিয়েছি।’

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন