কুয়েতে পাপুলের সাজা দেশের জন্য লজ্জার
অর্থ ও মানবপাচার এবং ঘুষের দায়ে কুয়েতের আদালতে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুলের কারাদণ্ডের বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন বলেন, পাপুল আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ছিলেন না, স্বতন্ত্র ছিলেন। তার সাজা বাংলাদেশের জন্য দুঃখজনক ও লজ্জাজনক। কিছুদিন আগে আমি কুয়েতে ঘুরে এসেছি, পাপুলের বিষয়ে কোনও কথা হয়নি। দেশটি জানে বাংলাদেশের লোক অতো খারাপ না।
আজ শনিবার (৩০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন মেঘনায় প্রথম বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক টেনিস টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।
অর্থ ও মানবপাচার এবং ঘুষ দেওয়ার অভিযোগে গত বছর গ্রেপ্তার পাপুলকে চার বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে কুয়েতের ফৌজদারি আদালত। আর এই রায়ের দুদিন পর আজকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী কথা বলেন।
এটা বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের কোনো আইনপ্রণেতার শাস্তির প্রথম কোনও ঘটনা। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকে।
তিনি বলেন, রায়ের বিষয়ে কুয়েত সরকার এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি। উনার বিচার হয়েছে সেখানে, যেটা আমরা পত্রপত্রিকার মারফতে শুনেছি। ওদেশের সরকার ওনার সম্পর্কে আমাদেরকে কিছু বলেনি।
প্রথম দিকে জানতে চেয়েছিলাম, তারা তখন রেসপন্ডও করে নাই। আর এখন পেপারে দেখলাম ওনার শাস্তি হয়েছে, উনি জেলে আছেন অনেক দিন ধরে। আমরা সরকারিভাবে জানার জন্য আমাদের রাষ্ট্রদূতকে বলেছি। সরকারিভাবে জানলে তখন পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
তিনি বলেন, কুয়েতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বিভিন্নভাবে সলিড ও পুরোনো। বঙ্গবন্ধুর সময় থেকে আমাদের একটি ভালো সম্পর্ক। এই একটি ঘটনায় আমাদের সম্পর্কে কোনও ঘাটতি হবে না।