অন্তর এখন নিজেই উদ্যোক্তা
আমরা অনেক সফল উদ্যোক্তার গল্প শুনেছি। তারা ক্ষুদ্র থেকে শুরু করে হয়েছে প্রতিষ্ঠিত। আজ শুনবো এক ছোট্ট উদ্যোক্তার স্বপ্ন।
খোয়াসাগর দিঘির পাড়ে ঘুরতে গিয়ে পরিচয় হয় রবিউল ইসলাম অন্তরের সাথে। লক্ষ্মীপুর দালাল বাজার এনকে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রণির শিক্ষার্থী অন্তর। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে মা চট্টগ্রামের একটি গার্মেন্টসে চাকরি করে। দাদা দাদির সাথে লক্ষ্মীপুরে থাকে অন্তর।
বিশ্ব মহামারি করোনা ভাইরাসের পর থেকে দাদা মো. হাসেমের কাজ কমে যায়। তিনি একজন নির্মাণ শ্রমিক। এতে সংসার চলছে অভাব অনাটনে। দালাল বাজার খোয়াসাগর দিঘির পাড়ে পেয়াজু, ভুট-চানাচুর বিক্রি করে সংসার চলছে তাদের।
পাশাপাশি নাতি অন্তরকে দিয়ে বিক্রি করাচ্ছে আমড়া। সে অন্যর আমড়া বিক্রি করছে।

তার স্বপ্ন ত্রিশ টাকা হলে সে নিজেই উদ্যোক্তা হতে পারে। করতে পারবে নিজেই নিজের ব্যবসা। পরে এ পুঁজি দিয়েই হবে সে প্রতিষ্ঠিত। এমনটাই ভাষ্য অন্তরের।
তার ব্যবসার জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টর উদ্যেশে ত্রিশ টাকা প্রদান করে এক সংবাদ কর্মী। এতে খুব খুশি হয়েছে স্কুল শিক্ষার্থী অন্তর।
পরদিন পর্যবেক্ষণে গিয়ে রবিউল ইসলাম অন্তরের নিজ আমড়ার ব্যবসা দেখা যায়।
ছোট হলেও নিজের ব্যবসা। জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটক আসে এখানে। সিঁড়িতে বসে বসে আমড়া খায় পর্যটকরা। এভাবেই চলছে অন্তরের ছোট ব্যবসা।