শতবর্ষের মিলনের পর দ্বিতীয় দেখা হবে জান্নাতে
নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে টুমচর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শতবর্ষ উদযাপন করা হয়েছে। বুধবার (২৯ ডিসেম্বর) দিনব্যাপী সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আলোচনা সভা ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
মাদ্রাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এডভোকেট নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা হারুন আল মাদানির সঞ্চালনায় এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নোমান, হামদর্দের এমডি হাকিম মোহাম্মদ ইউছুফ হারুন ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ট্রেজারার সৈয়দ আবুল কালাম আজাদ ও শিক্ষাবিদ ড. এম মোসলেহ উদ্দিন প্রমুখ। এ অনুষ্ঠানে প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রদের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ কানায় কানায় পূর্ণ ছিল।
বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ইসলাম প্রসারে কাজ করছেন। প্রতিটি জেলায় ডিজিটাল মসজিদ ও ইসলামি সংস্কৃতি কেন্দ্র স্থাপন করছেন। যা বিশ্বের অন্যান্য দেশ মডেল হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তিতে টুমচর ইসলামিয়া কামিলা মাদ্রাসা শতবর্ষ অতিক্রম করেছে। এ মাদ্রাসার মেধাবী শিক্ষার্থীরা দেশের বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের গর্বের সাথে অবদান রেখে আসছে। ইসলামি শিক্ষা একজন শিক্ষার্থীকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে প্রধান নিয়ামক।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হারুন আল মাদানি বলেন, আমরা মুসলমান, আমরা সবাই জান্নাত কামনা করি। আমরা এখানে মাদ্রাসার শতবর্ষ অনুষ্ঠানে মিলিত হয়েছি। এরপর আমাদের দ্বিতীয় মিলন হবে জান্নাতে। হয়তো মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ মাওলানা আশরাফ আলি (বড় হুজুর) রহমাতুল্লাহি আলাইহি আজ বেঁচে থাকলে বলতেন, তার রোপিত চারাগাছটি আজ বিশাল বটবৃক্ষে পরিণত হয়ে পৃথিবীব্যাপি শান্তির ছায়া দিয়ে যাচ্ছে। শতবর্ষের এদিনে আল্লাহর কাছে মিনতি করি, টুমচর মাদ্রাসার অবদান পৃথিবীতে যেন অক্ষয় রয়।
প্রসঙ্গত, ১৯২১ সালে বড় হুজুর মাওলানা আশরাফ আলি রহমাতুল্লাহি আলাইহি নিজ গ্রাম সদর উপজেলার টুমচর ইউনিয়নের টুমচর ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।