র্যাব সেজে টিকটক, শারীরিক সম্পর্কে শতাধিক নারী
নওগাঁর বাসিন্দা আব্দুর রাকিব ওরফে খোকন টেনেটুনে স্কুলের গন্ডি পার হয়েছিলেন। এরপর পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। এখন বগুড়ার একটি আবাসিক হোটেলের নিরাপত্তাকর্মী। কিন্তু ভার্চুয়াল দুনিয়ায় তাকে সবাই চেনে ‘টিকটক রাজ’ হিসেবে। নারীদের টার্গেট করে বানান নানা ভিডিও। বিজিবির ল্যান্স নায়েক পরিচয় দিয়ে প্রচারণা চালাতেন র্যাবে প্রেষণে বদলি হয়েছেন বলে। পরিচয়ের সূত্রে শতাধিক মেয়ের সঙ্গে অনৈতিকভাবে শারীরিক সম্পর্ক করে তারপর ব্ল্যাকমেইল করেছেন।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং এলিট ফোর্স র্যাবের ইউনিফর্ম পরা তার অসংখ্য ছবি, ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম আর টিকটক সাইটে। নিজেকে পরিচও দেন বিজিবি-র্যবের কর্মকর্তা হিসেবে। ভুয়া ভিডিও তৈরি ও মিথ্যা পরিচয়ে শতাধিক নারীর সঙ্গে করেছেন প্রতারণা, বিয়ে করেছেন চারটি। শেষ পর্যন্ত র্যাবের হাতে ধরা পড়ার পর উন্মোচন হয় তার মুখোশ।
সোমবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে র্যাব-২ ও র্যাব-৫ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। র্যাব কর্মকর্তারা বলছেন, রাকিব মূলত প্রতারক চক্রের সদস্য। সে র্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অভিযান বা না কার্যক্রমের ছবি ও ভিডিও এডিট করে সেখানে নিজের ছবি বসিয়ে দিতো। এই ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে বিশ্বাস স্থাপন করতো। তার ইউটিউবে দুই মিলিয়নের বেশি ভক্ত। এই ভক্তদের মধ্যে নারীদের টার্গেট করে টিকটক ভিডিও তৈরি করার নামে তাদের ব্লাকমেইল করে টাকা, স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয় সে।
মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে টিকটক রাজ ওরফে রাকিবকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন র্যাব কর্মকর্তারা। সেখানে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেপ্তার রাকিব টিকটক, ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ও ভাইবারসহ বিভিন্ন সাইবার মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পরিচয় দিয়ে আসছিল। সে দুই বছর ধরে অনলাইন প্লাটফর্মে মুখরোচক ভিডিও তৈরি করে তা প্রচার করে আসছিল। নারীদের প্রলুব্ধ ও প্রতারিত করে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং পরে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করত।
সোমবার রাতে রাজধানীর মোহাম্মদপুর থেকে র্যাব-২ ও র্যাব-৫ যৌথ অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। র্যাব কর্মকর্তারা বলছেন, রাকিব মূলত প্রতারক চক্রের সদস্য। সে র্যাবসহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অভিযান বা না কার্যক্রমের ছবি ও ভিডিও এডিট করে সেখানে নিজের ছবি বসিয়ে দিতো। এই ছবি বা ভিডিও ছড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেকে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য হিসেবে বিশ্বাস স্থাপন করতো। তার ইউটিউবে দুই মিলিয়নের বেশি ভক্ত। এই ভক্তদের মধ্যে নারীদের টার্গেট করে টিকটক ভিডিও তৈরি করার নামে তাদের ব্লাকমেইল করে টাকা, স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে নেয় সে।
মঙ্গলবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে টিকটক রাজ ওরফে রাকিবকে গ্রেপ্তারের তথ্য জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন র্যাব কর্মকর্তারা। সেখানে সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, গ্রেপ্তার রাকিব টিকটক, ফেসবুক, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ও ভাইবারসহ বিভিন্ন সাইবার মাধ্যমে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর ভুয়া পরিচয় দিয়ে আসছিল। সে দুই বছর ধরে অনলাইন প্লাটফর্মে মুখরোচক ভিডিও তৈরি করে তা প্রচার করে আসছিল। নারীদের প্রলুব্ধ ও প্রতারিত করে অনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন এবং পরে ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায় করত।