রায়পুরে স্কুল শিক্ষকসহ ৩ জনকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম
লক্ষ্মীপুর রায়পুরে শুক্রবার সকালে বামনী ইউনিয়নের সাইচা গ্রামের বরই তলা নামক স্থানে স্কুল শিক্ষকসহ ৩ জনকে পিটিয়ে মারাত্মক জখম করা হয়।
এ ঘটনায় আহতরা হলেন উত্তর গাইয়ারচর দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক হোসেন আহম্মদ দেওয়ান, তার স্ত্রী আসমা আক্তার এবং তার পিতা হাফেজ নুরুল আমিন।গুরুতর আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে রায়পুর সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ,এলাকাবাসি ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হোসেন আহম্মদ দেওয়ান মিডিয়া কর্মীদের বলেন, শুক্রবার ( ২৬ জুন) সকালে আমাদের বাড়ির মৃত আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী লাভলি আক্তার বড় ট্রাক করে সরু রাস্তা দিয়ে ইট বালু নিয়ে আসে এসময় রাস্তাটি পুকুরে ভেঙ্গে পড়বে ভেবে বাধা প্রদান করি।
কারন অতি বৃষ্টিতে রাস্তার মাটি নরম হওয়াতে ভেঙ্গে যাবার ভয়ে নিষেধ করা মাত্রই এতে ট্রাক ডাইভার, হেল্পার এবং কাজিরদীঘিরপাড় বাজার পরিচালনা কমিটির মতিন ভুঁইয়া সহ অন্যরা মিলে আমাকে, আমার স্ত্রী ও বাবাকে জিআই পাইপ দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে জখম করে। এতে আমরা বেধড়ক মাইরের কারনে জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসার পর জ্ঞান ফিরলে আমাদের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় রক্তাক্ত জখমের চিহ্ন দেখতে পাই।
এ ঘটনার পর তারা হুমকি ধামকি অব্যাহত রাখায় তাদের ভয়ে আমরা এখন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে মতিন ভুঁইয়া গংরা বলেন, আমার ট্রাকের ড্রাইভারকে পিটানোর কারনে ট্রাকের ড্রাইভার এবং হেল্পার তাদের ভেলসা দিয়ে উত্তম মাধ্যম দেওয়া হয়েছে।
সৃষ্ট ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়াম্যান তাফাজ্জল হোসেন মুন্সী ও স্থানীয় ইউপি সদস্য জবি উল্যা গনমাধ্যকর্মীদের বলেন, আইন হাতে তুলে নেওয়া ঠিক হয়নি, আহতদের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে এবং বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংশার চেষ্টা চলছে।
এই বিষয়ে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে রায়পুর থানা ডিউটি অফিসার জাকির হোসেন জানান এই বিষয়ে কোনো পক্ষ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।