রামগতিতে ট্রাক্টরে চষে ৩৬ শতাংশ জমির ফসল নষ্টের অভিযোগ

প্রতিবেদক : এমএন/ এমএস
প্রকাশিত: ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ৩:১৪ অপরাহ্ণ

নিজস্ব সংবাদদাতা: লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে ব্যবসায়ীর ৩৬ শতাংশ জমির খেসারির ডাল ট্রাক্টর দিয়ে চষে নষ্টের অভিযোগে উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ব্যবসায়ী একরামুল হক এ অভিযোগ করেছেন।

এরআগে সোমবার (৩১ জানুয়ারি) রাতের অন্ধকারে প্রতিপক্ষ মো. সেলিম, মুজাহিদ, বশির আহমেদ ও দেলোয়ার হোসেনসহ তাদের লোকজন ক্ষেত থেকে ফসল তুলে নিয়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সকালে এসে ট্রাক্টর দিয়ে ক্ষেত চষে দেওয়া হয়। উপজেলার চরআলগী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড চরনেয়ামত গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযোগ সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে একরামুল হকদের সঙ্গে সেলিমদের ৩৬ শতাংশ জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। কয়েকটি সালিসি বৈঠকে কাগজপত্র যাচাইবাছাই করলে একরামুলদের জমি বলে প্রমাণ হয়। কিন্তু সেলিম ও তার ভাইয়েরা এটি মানছেন না। প্রায় দেড় মাস আগে জমিতে একরামুলরা খেসারি বীজ ফেলে। পুরো জমিতেই খেসারি উৎপাদন হয়। ফুলও দেখা যায়। হঠাৎ করে সেলিম তার আত্মীয়-স্বজন ও ভাড়াটে লোকজন নিয়ে রাতের অন্ধকারে ফসলগুলো তুলে নিয়ে যায়। এটি অন্যখাতে প্রভাবিত করতে পরে ট্রাক্টর দিয়ে চষে দেওয়া হয়।

একরামুল হক বলেন, একাধিকবার ওই জমি নিয়ে বৈঠক হয়েছে। পরিমাপ ও কাগজপত্র যাচাইবাছাইয়ে জমির মালিক আমাদেরকে ঘোষণা করেন সালিসদাররা। কিন্তু এটি মানছে প্রতিপক্ষের লোকজন। তারা আমাদেরকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধমকি দিয়ে আসছেন। এখন আমাদের জমির ফসলগুলো নষ্ট করে দিয়েছেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে মো. সেলিম বলেন, জমিটি আমাদের ছিল। পরবর্তীতের আমরা নুর মিয়া হাফেজ মসজিদকে ৩৬ শতাংশ জমি দিয়ে দিয়েছি। মসজিদ কর্তৃপক্ষই জমি চাষ করেছে। আমাদের বিরুদ্ধে শত্রুতা করে অভিযোগ করা হয়েছে।

চরআলগী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য হেলাল উদ্দিন বলেন, ঘটনাটি আমাকে জানানো হয়েছে। অভিযুক্ত সেলিমকে কল দিলেও কথা বলেনি। এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে ভূক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হবে।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন