রামগঞ্জ সোনাপুরের গণশৌচাগারটি বন্ধ, বিপাকে ব্যবসায়ীরা

প্রতিবেদক : এমএন/ এমএস
প্রকাশিত: ২৭ জুন, ২০২২ ৪:৫৭ অপরাহ্ণ

রামগঞ্জ সংবাদদাতা: রামগঞ্জ সোনাপুরের ঐতিহ্যবাহী উত্তর বাজারের গণশৌচাগারটি দীর্ঘদিন ধরে একদল সিন্ডিকেটের কারণে বন্ধ হয়ে আছে, এখনো পর্যন্ত খোলার কোনো উদ্যোগ নেয়নি পৌরসভার মেয়র ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

এই গণশৌচাগারটি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা, সেই সাথে প্রতিদিন বাজারে আসা হাজার হাজার মানুষ।

বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ী বলেন, পৌর মেয়রকে বারবার এ ব্যাপারে অভিযোগ করলেও কোনো সমাধান এখনো হয়নি। গণশৌচাগাটি বন্ধ ও সংস্কারের অভাবে বিপাকে পড়তে হচ্ছে আমাদের। এছাড়াও বাজারের ড্রেনের অবস্থা বেহাল দশা। শীঘ্রই এর একটা সমাধান হওয়া দরকার।

গণশৌচাগারের দায়িত্বে থাকা কামাল হোসেন বলেন, ইজারার মেয়াদ শেষ হওয়ায় পরবর্তীতে আর ইজারা নি নাই, তাই পৌর মেয়র এসে বন্ধ করে দেন। কেন ইজারা নিবেন না জানতে চাইলে তিনি বলেন, গণশৌচাগারটির টাংকি ফুল, ময়লা বাহিরে চলে যায়, টাংকির পানি ড্রেন দিয়ে যাওয়ায় মানুষ গালমন্দ করে। আমাকে যারা ইজারা এনে দিয়েছেন তাদের বলেছি এর একটি সমাধান না হলে আমি ইজারা নিব না। কিন্তু এখনও এ বিষয়ে কোনো সদুত্তর পায়নি।

সোনাপুর বাজার ব্যবসায়ী ব্যবস্থাপনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ভিপি রফিকুল ইসলাম বলেন, কামালকে বলেছি টাংকির ময়লা পরিষ্কার করার জন্য, প্রয়োজনে বাজারে ব্যবসায়ীরা টাকা দিবে। সোনাপুর উত্তর বাজারের অন্যতম মাছ বাজার সহ কয়েকটি গলির ড্রেইন দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে না। বৃষ্টি হলে হাঁটু পরিমাণ পানি জমাটবদ্ধ হয়ে পড়ে থাকে। পৌর সভার মেয়র মহোদয়কে অবগত করার পর আমাকে আশ্বাস দেন, কিন্তু আশ্বাস পরিমাণ এখনও কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।

এ ব্যাপারে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফয়সাল মালকে বারবার ফোন দিয়েও ফোনে পাওয়া যায়নি।

পৌর সভার মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল খায়ের পাটোয়ারী বলেন, এখানে একদল সিন্ডিকেট কাজ করছে। আমি বারবার বলেছি পৌর সভায় এসে বিষয় গুলো সমাধান করতে, কিন্তু কেউ আসেনি। গণ শৌচাগারের ব্যাপারে কামালকে বলেছি ইজারা নিয়ে কাজ শুরু করতে, কামাল পরবর্তীতে আর দেখা করেন নি। সোনাপুর উত্তর বাজার, পশ্চিম বাজার, বড় মসজিদ সংলগ্ন বাজারের ড্রেনের ব্যাপারে সুস্পষ্ট কোনো মন্তব্য করেনি তিনি।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন