ইউছুফ পাটওয়ারী লক্ষ্মীপুরে ভারতের মাংস বিক্রি করছেন কার মদদে?

প্রতিবেদক : এমএন/ এমএস
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ ৯:২১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: লক্ষ্মীপুর জেলা শ্রমিকলীগের আহ্বায়ক ইউসুফ পাটওয়ারী কয়েক বছর ধরে ‘অজানা’ মাংসের ব্যবসা করছেন। কম দাম হওয়ায় স্থানীয় অধিকাংশ খাবার হোটেলে গরুর মাংস বলে এটি বিক্রি হচ্ছে।

তবে ইউছুফের দাবি, ভারত থেকে বৈধভাবে তিনি গরু-মহিষের মাংস আনছেন। সেখানে এসব মাংসের দাম কম। স্থানীয়ভাবে চাহিদা থাকায় তিনি এ ব্যবসা করেন।

এদিকে লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম এলাকায় একটি গোডাউন নিয়ে ইউছুফ অনেকটা গোপনে এ মাংস বিক্রি করছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে লক্ষ্মীপুর পৌরসভার মাদাম এলাকা থেকে ইউছুফের প্রায় ৬ মন মাংসসহ দুইজনকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার সকাল পর্যন্ত লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানায় মাংসসহ তারা পুলিশ হেফাজতে ছিল বলে জানা গেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, আটকরা হলেন চাঁদপুর জেলার মতলবের শাহ আলমের ছেলে মো. শাকিল ও লক্ষ্মীপুর শহরের মাদাম এলাকার আবুল খায়েরের ছেলে রহিম।শাকিল শ্রমিকলীগ নেতা ইউসুফের ম্যানেজার ও রহিম অটোরিকশা চালক। মাংসগুলো কীসের তা নির্দিষ্টভাবে জানাতে পারেননি আটকরা।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে রায়পুর ও লক্ষ্মীপুর সদরের দুইজন হোটেল ম্যানেজার জানিয়েছেন, ভালো গরুর মাংস বাজারে ৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কিন্তু ভারত থেকে আমদানী করা এ মাংস বিক্রি হয় ৩৫০-৪০০ টাকা দরে। তবে কম দাম হওয়ায় তারা গরুর মাংস বলে হোটেলে বিক্রি করছেন।

থানা পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানান, ঢাকা থেকে ইকোনো পরিবহনে শনিবার রাতে ১৫ কার্টুন মাংস লক্ষ্মীপুরে আনা হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ওই মাংস দুইজনকে আটক করা হয়। আটকরা গাড়ি থেকে মাংস নামাচ্ছিল।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসীম উদ্দিন বলেন,
আমাদের কাছে মাদকের তথ্য ছিল, সে কারণেই অভিযান চালানো হয়। কিন্তু সেখানে মাংস পাওয়া যায়। মাংসগুলো মহিষের বলে দাবি করছেন মালিক। কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নন