<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	>

<channel>
	<title>ফিচার - মোহনানিউজ</title>
	<atom:link href="https://mohonanews.com/category/%e0%a6%ab%e0%a6%bf%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b0/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://mohonanews.com/category/ফিচার/</link>
	<description>স্বপ্নের কাছাকাছি</description>
	<lastBuildDate>Sun, 12 Jan 2025 11:08:23 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=6.9.11</generator>
	<item>
		<title>তুমি সুন্দর, তুমি অনন্য হে প্রকৃতির কন্যা</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b9%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b9%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Jan 2025 11:08:23 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেকিং নিউজ]]></category>
		<category><![CDATA[সর্বশেষ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=63546</guid>

					<description><![CDATA[<p>হোসাইন মোঃ ইসমাইল : ভোরের আলো ফোটার আগেই চর ফ্যাশনের বেতুয়া ঘাটে এমবি টিপু নোঙ্গর ফেলেছে। কারণ তার গন্তব্য এই পর্যন্তই। সেই সন্ধ্যায় রাজধানীর সদরঘাট থেকে আমাদের বোঝাই করে নিয়ে এসেছে দক্ষিণের শেষ বিন্দু লাগোয়া বেতুয়া ঘাটে। আমরাও সকাল অবধি অপেক্ষা করে উষার আলোর ঝলক গায়ে মেখে, হেলে দুলে নামলাম লঞ্চ থেকে। আধা ঘন্টা আগের [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b9%e0%a7%87/">তুমি সুন্দর, তুমি অনন্য হে প্রকৃতির কন্যা</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">হোসাইন মোঃ ইসমাইল :<br />
ভোরের আলো ফোটার আগেই চর ফ্যাশনের বেতুয়া ঘাটে এমবি টিপু নোঙ্গর ফেলেছে। কারণ তার গন্তব্য এই পর্যন্তই। সেই সন্ধ্যায় রাজধানীর সদরঘাট থেকে আমাদের বোঝাই করে নিয়ে এসেছে দক্ষিণের শেষ বিন্দু লাগোয়া বেতুয়া ঘাটে। আমরাও সকাল অবধি অপেক্ষা করে উষার আলোর ঝলক গায়ে মেখে, হেলে দুলে নামলাম লঞ্চ থেকে।<span id="more-63546"></span></p>
<p style="text-align: justify;">আধা ঘন্টা আগের গুলিস্তানের শোরগোল এখন এখানেই শুধুই অতীত (লঞ্চ থেকে হাজার খানেক যাত্রীর হুড় হুড় করে নামা ও হকার রিক্সা ওয়ালাদের শোরগোল)। পল্টুন থেকে নামতেই ঘিরে ধরলো মিশুক ও অটো ড্রাইভাররা। তাদের চওড়া দামের খপ্পরে না পড়ে একটা অটো নিয়ে চললাম চরফ্যাশন সদরের উদ্দেশ্যে।</p>
<p style="text-align: justify;">ভোরের স্নিগ্ধ হাওয়া আর দু’পাশের সবুজ ধানের ক্ষেত। এ যেন সাত সকালে পৃথীবিতেই স্বর্গীয় অনুভূতি। নারিকেল সুপারি গাছের ভিড়ে সুন্দর নান্দনিক টিন আর সেমি পাকা বাড়ি গুলো গ্রাম বাংলার রূপে মোহনীয়। চর ফ্যাশন শহরে এসে জ্যাকব টাওয়ার এর সামনে গিয়ে দাড়ালাম। কোলাহল মুক্ত খালি রাস্তা খুব সুন্দর। সাথে চারপাশে বাধানো নান্দনিক পুকুর, আর জায়ান্ট স্কিন এর মতো বিশাল মনিটর ও মুক্তমঞ্চ যেন পশ্চিমা কোন দেশের ক্যাপিটালের স্কয়ার..! পরটা, হাঁসের ডিম ও ভাজি দিয়ে নাস্তা সেরে আবার রওনা দিলাম দক্ষিণ আইচার কচ্চপিয়া ঘাট অভিমুখে&#8230;</p>
<p style="text-align: justify;">এবড়ো থেবড়ো রাস্তা পার হয়ে গ্রামের ভেতর দিয়ে চলছে ইজি বাইক..! সবুজ আর প্রকৃতির ঘোর লাগা মিষ্টি একটা গন্ধ্যে বিমোহিত হতে হতে যাচ্ছি কচ্ছপিয়া অভিমুখে। রাস্তায় ছোট ছেলেমেয়েদের দল বেধে মক্তব থেকে বাড়ি ফিরা, খুব সুন্দর লাগলো..! উপকুলের মানুষরা বরাবরই ধার্মিক হয়। আর ধার্মিকতার শুরু হয় এই মক্তব (ইসলামী শিশু শিক্ষা) থেকেই। নানা পথ ঘাট বাজার পার হয়ে আমরা এসে পৌঁছালাম কচ্ছপিয়া ঘাটে।</p>
<p><img fetchpriority="high" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-63547" src="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2025/01/471562172_9258288747526612_8350184229239308484_n.jpg" alt="" width="750" height="390" srcset="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2025/01/471562172_9258288747526612_8350184229239308484_n.jpg 750w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2025/01/471562172_9258288747526612_8350184229239308484_n-300x156.jpg 300w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2025/01/471562172_9258288747526612_8350184229239308484_n-105x54.jpg 105w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2025/01/471562172_9258288747526612_8350184229239308484_n-104x53.jpg 104w" sizes="(max-width: 750px) 100vw, 750px" /></p>
<p style="text-align: justify;">কচ্ছপিয়া বাজারে মহিষের দই চেটেপুটে খেয়ে, সাড়ে দশটার লাইনের ট্রলার এ উঠে বসলাম। জন বিশপঁচিশেক মানুষ। তার ভেতরে কলেজ পড়ুয়া এক ললনার লাজুক ও উৎসাহী চাহনি। তার দিকে ব্যতিক্রম মার্কিং এর আবেদন মন্জুর করেই নিলো ততক্ষনে। ছোট খাল পেরিয়ে ত্রিমুখো নদীর মোহনায় যেতেই সুন্দরের হাতছানি, গভীর থেকে গভীরতম হচ্ছে। বিস্তৃত মেঘনার বড় আচল পেরিয়ে, হঠাৎই বনের ছোট খাল ধরে ঢুকে পড়লাম সবুজের ভিড়ে।</p>
<p style="text-align: justify;">ট্রলার এর সামনে দু’পা ছড়িয়ে আয়েশ করেই ১৮০ ডিগ্রি লেন্স মেলে ধরেছি প্রকৃতির ভিড়ে। পাখিদের ডাক কানে লাগছে খুব। হিজল ও ম্যানগ্রোভ গাছের সারি, পাখি ও প্রাণীর উড়াউড়ি আর কলতানে মুখর এই আঙ্গিনা। আর মাঝে মাঝেই দল বেধে সাদা বকের উড়াউড়ি।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘন্টা দেড়েক চলার পরে কুকরি মুকরি দ্বীপের খেয়াঘাটে নামিয়ে দিলো আমাদের। নামার সাথে সাথেই কিছু বৃদ্ধ মানুষের আবেগ ও মায়াময় চাহনী এড়িয়ে, সামনে এগোতেই দেখি আমাদের সঙ্গী হযে পায়ে পা মিলাচ্ছে সেই মেয়েটি। মুখে কিছু প্রকাশ না করলেও চোখের ইশারায় বুঝিয়ে দিয়েছি, তুমি সুন্দর, তুমি অনন্য হে প্রকৃতির কন্যা। কিছু দূর হেঁটে এতোটাই মায়ায় পড়ে গেছি, এই মেঘনা মোহনার মায়ায় ঘেরা সবুজের জনপদ, চর কুকরি মুকরির। বাজারে গিয়ে হালকা নাস্তা ও প্রয়োজনীয় আনাজপাতি কিনে বাজার লাগোয়া একবাড়ি থেকে মুরগি কিনে চললাম ক্যাম্পসাইড নারিকেল বাগানের দিকে। মোটর সাইকেলে এ মেঠোপথ পাড়ি দিয়ে আবারও আমরা ম্যানগ্রোভ বনের খেতরে ঢুকে পড়লাম।</p>
<p style="text-align: justify;">কিছু দুর কাদামাটি ও শ্বাসমূলের মধ্যদিয়ে হোচট ও রোমাঞ্চকর পথ পাড়ি দিয়ে সরু ক্যানেলের পাড়ে এসে দাঁড়ালাম। ছোট একটা ডিঙ্গি নৌকায় পার হয়ে চলে আসলাম ওয়াচ টাওয়ারে। ৫ তলায় উঠে পাঁচক তানভির রান্নায় লেগে গেলো। আর আমরা দক্ষিণের বিস্তির্ন মেঘনা মোহনা ও বাতাসে ভর করে তাকিয়ে রইলাম দূর ঢালচরের বিন্দু কণার দিকে। অল্প সময়ে রান্না শেষ এরপর ভোজন পর্বের শুরু। এতোটা মজা ও স্বাদ, যেন তৃপ্তির শেষ নেই&#8230;.!</p>
<p style="text-align: justify;">অনেক হলো এবার যেতে হবে ক্যাম্প সাইডে। নিচে নেমে হাতের বামপাশে গভীর সবুজের বন আর ডানে বিস্তির্ন মেঘনার জলরাশি ধরে হাটছি বেলাভুমিতে&#8230;..</p>
<p style="text-align: justify;">এখানে খুব সুন্দর বেঞ্চ পাতানো আছে, যদিও কিছুটা ভাঙ্গাচুরা। মালপত্র রেখে মেঘনায় গা ভেজানোর লোভে তর সইলো না। এর মধ্যে এক চাচার ঝাঁকি জাল দিয়ে ধরা ভাটা ও চিংড়ি মাছ নিলাম। সাথে আমাদের সামনেই মহিষের পাল থেকে দোহন করা মহিষের লিটার খানেক দুধ চাচা আবদার করেই দিয়ে গেলেন। নদী পাড়ের মানুষগুলো একটু বেশি সহজ সরল টাইপের হয়। আছরের আজান হয়ে যাওয়াতে চাচা তার ভেজা লুঙ্গি সমেত সবুজ ঘাসে উপর ওয়ালার কাছে মাথানত করার ব্যাপার টা নাড়া দিয়েছে হৃদয়..।</p>
<p style="text-align: justify;">ঘন্টা খানেক লাফালাফি করে উঠে আসলাম, টিউবওয়েলের পানিতে মাছ কেটেকুটে গোসল সেরে, তাবু টাঙ্গিয়ে ক্যাম্প সাইড রেডি করতেই অন্ধকার আসি আসি করছে&#8230;.</p>
<p style="text-align: justify;">তবে মেঘনার শেষ প্রান্তে বিকালের রক্তিম সূর্য কতটা মোহময় তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো শব্দ আছে বলে মনে হয় না। তিনজনই চুপচাপ পশ্চিম মুখি হয়ে বসে বিদায় দিয়েছি সেদিনের সূর্যকে। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথেই শিয়ালের ডাকে ভড়কে গেলাম আমরা। এতো এতো শেয়াল যেন আমাদের কর্ডন করে রেখেছে নিরাপদ দুরত্ব দিয়ে। দ্রুত বন থেকে সংগ্রহ করা লাকড়ি জ্বালিয়ে রক্ষা করেছি নিজেদের। তবে দূরের দিকে লাইট মারলেই দেখা যায় অসংখ্য চোখ মিটমিট জ্বলছে&#8230;! এর মাঝে আগুনের সামনে বসে রান্নার কৌশলে মুগ্ধ করেই যাচ্ছে জাপানের সাগর পাড়ের ছোট শহর ওকিনো আইল্যান্ড মাতিয়ে তোলা রূপের রাণী তন্নীর চন্ডিদাশ। মুরগি, মাছ ভাজা সাথে সাদা ভাত তারপর মহিষের দুধ, এ যেন এক অমিয় সুধা। অতঃপর সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ দিয়ে মেঘনার গর্জন ও চাঁদনি রাতের মায়াবী আলোকে সঙ্গি করে ঘুমিয়ে গেলাম, খুব ভোরে হরিণ দেখবো বলে।</p>
<p style="text-align: justify;">খুব ভোরে রঙিন আভায় আলোকিত আকাশের রং দেখে তাবুর জানালা খুলতেই ঠান্ডা বাতাশের ছোয়া যেন শুভ সকালের আগমনী বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে উঞ্চতায়। এরপর কিলো দেড়েক চর পাতিলার দিকে হেটেও এই নির্জন দ্বীপে হরিণের দেখা পেলাম না। এই অদেখা বাস্তবতা পুঁজি করে ফিরে যাচ্ছি যান্ত্রিকতার নগর জীবনে। কোন এক শীত ও বসন্তের মাঝে আবার ফিরবো নির্জনতার এই দ্বীপে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p>লেখক ও ভ্রমণকারী : <a href="https://web.facebook.com/hossain.ismail.7">হোসাইন ইসমাইল</a></p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b9%e0%a7%87/">তুমি সুন্দর, তুমি অনন্য হে প্রকৃতির কন্যা</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%81%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a6%b0-%e0%a6%a4%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%b9%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>নাগরদোলা ও প্রীতিলতার জন্মভিটা</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন]]></dc:creator>
		<pubDate>Thu, 04 Jul 2024 05:52:50 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[ব্রেকিং নিউজ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=62869</guid>

					<description><![CDATA[<p>হোসাইন মোঃ ইসমাইল : শুক্রবার টা হারিয়ে যাওয়ার দিন। কিশোর বয়সে হোস্টেল জীবনের দিনটা ছিলো ভিষণ আনন্দ আর কৌতুহলের। অচেনা শহর সাথে একটা ছোট আর পুরনো রেল স্টেশন (পটিয়া রেল স্টেশন)। হাটবারের বিকেল বেলায় লোকে লোকারন্ন হয়ে উঠে স্টেশনটি। সকাল বেলায় নাস্তা সেরে পা বাড়িয়েছি দুর দিগন্তের হাতছানিতে (যদিও সেদিন নাস্তা করেছি কিনা তা আজ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/">নাগরদোলা ও প্রীতিলতার জন্মভিটা</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">হোসাইন মোঃ ইসমাইল :<br />
শুক্রবার টা হারিয়ে যাওয়ার দিন। কিশোর বয়সে হোস্টেল জীবনের দিনটা ছিলো ভিষণ আনন্দ আর কৌতুহলের। অচেনা শহর সাথে একটা ছোট আর পুরনো রেল স্টেশন (পটিয়া রেল স্টেশন)। হাটবারের বিকেল বেলায় লোকে লোকারন্ন হয়ে উঠে স্টেশনটি।<span id="more-62869"></span></p>
<p style="text-align: justify;">সকাল বেলায় নাস্তা সেরে পা বাড়িয়েছি দুর দিগন্তের হাতছানিতে (যদিও সেদিন নাস্তা করেছি কিনা তা আজ ঠাওর করতে পারছি না)।</p>
<p style="text-align: justify;">শহিদুল নামের এক সিনিয়ার আজ আমার ঘুরার সঙ্গি। কারণ এক দেড়শো পোলাপাইন এর মধ্যে যে ৪/৫ জন শুদ্ধ বাংলা বুঝে বা বলতে পারে তাদের মধ্যে তিনি একজন (যেহেতু সবাই চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলে) কাউকে কিছু বুঝতে না দিয়ে খুব চুপি চুপি বের হয়ে গিয়েছি। ডাকবাংলা মোড়ে গিয়ে এক হলাম দুজনে। তখন কার শাহি মিষ্টাঙ্গন হোটেল এ হালুয়া আর পরটা নিয়ে একটা টেম্পু টাইপের শ্যালো ইঞ্জিনের ভটবটি তে উঠে চলতে শুরু করলাম। সেই সময়ে এতটা আনন্দ আর কৌতুহল ছিলো! এভাবে একা ঘুরতে বের হওয়া। নেই কোন শাসন বারন।</p>
<p style="text-align: justify;">টেম্পু থেকে নেমে মেইন রোড থেকে হাতের বামে কিছু দূর হেটে একটা রেল ব্রীজ এর উপরে উঠলাম। কি সুন্দর! অবাক করা বিষয় নদীর মাঝে ট্রাক চলছে&#8230;! রেলিং ছাড়া ব্রীজ টা খুব ভয়ে ও আতংকে পার হলাম শহিদুল ভাই এর হাত ধরে। পার হয়ে নদীতে নেমে পড়লাম। আহ&#8230;! কি ঠান্ডা পানি, স্রোত ও প্রচুর!</p>
<p style="text-align: justify;">কিন্তু নদীর মাঝখানেও পানি একহাটুর বেশি নয়। অনেকক্ষন লাফালাফি করে ফেরার পথে পা বাড়ালাম।এবার চলছি আরাকান সড়ক ছেড়ে গ্রামীণ পল্লীর নীরব রাস্তা ধরে আবার ও সেই শ্যালো ইঞ্জিনের টেম্পুতে।</p>
<p style="text-align: justify;">বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনে জীবন বিলিয়ে দেওয়া বীরকন্যার জন্মভুমি ধলঘাট গ্রাম বিপ্লবীদের আতুড়ঘর এ গ্রাম। বৃটিশদের দুইশো বছরের শাসনকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে বিদ্রোহে নামা সূর্যসন্তানদের আস্তানা ছিলো এই গ্রাম। মাস্টার দা সূর্যসেন এর স্মৃতি বিজড়িত ছায়াঘেরা নীরব পল্লী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর জন্মভুমি ধলঘাট গ্রাম ঘুরে এবার আমরা হাজির হলাম রেলস্টেশনে।</p>
<p style="text-align: justify;">ততক্ষনে দুপুর গড়িয়ে বিকেল এর শুরু। ব্রিটিশ আমলের লাল দালানের তৈরী রেলস্টেশন। সামনে খুব জমজমাট আয়োজন। নানা মানুষের হাঁকডাক। নানান রকমের পসরা সাজিয়ে বসা কৃষক। বেগুন, শসা, চিচিঙ্গা নিয়ে এক জায়গায় দলবেঁধে দাড়িয়ে আছে মানুষ। শহিদুল ভাইরে জিজ্ঞাসা করলাম ওরা কেন দাঁড়িয়ে আছে? উত্তরে তিনি বললেন এটা মানুষের হাট! তখন বুঝিনি, আজ বুঝলাম শ্রমিকের হাট ছিলো সেটা।</p>
<p style="text-align: justify;">মালিক বাজার থেকে দেখে শ্রমিক নিয়ে যায় ৪/৫ দিন বা যার যতোদিনের কাজ প্রয়োজন, ততদিনের জন্য। আরেক টু সামনে গিয়ে দেখি মানুষের জটলা। ছোট বলে আমাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে বার বার। এর পাশে আরেক টা গ্রুপ দেখলাম. বিশাল প্লাস্টিকের সাইন ব্যানার এ কতগুলো ছবি ক্রমানুসারে সাজানো। মান্ধাতা যুগের টেপরেকর্ডার এ কথা বেজে চলছে। আর সাইনবোর্ড এর সামনে এক ভদ্রলোক লাঠি দিয়ে কথার সাথে তাল মিলিয়ে ছবি গুলো দেখাচ্ছে। এর পর ঔষধ বিক্রি করছে (কৃমিনাশক ঔষধ)। আরো কত কি।</p>
<p style="text-align: justify;">এর মাঝেই গজা টাইপের মিষ্টি জাতীয় কিছু খেলাম আমরা। কিছুটা দুরেই একটা অদ্ভুত কাঠের ঘর্ষণ এর আওয়াজ কানে আসছিলো। গেলাম ওখানে। কাঠের এই সুন্দর জিনিষ টা মনে ধরেছে আমার। অনেক টা সময় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম।</p>
<p style="text-align: justify;">এর পর উঠে বসলাম আমিও, মানুষ পুরেও গেলো। ঠেলতে শুরু করলো বয়রা গুলো। তাদের সখের নাগরদোলা। এতটা আনন্দ! এতটা শিহরন কখনো পাইনি। নাগর দোলার সেই শব্দের সঙ্গে সন্ধ্যা নেমে এসেছে আকাশে।ক্লান্ত পাখিদের মতো আমাদেরও হোস্টেল এ ফেরার তাড়া।</p>
<p style="text-align: justify;">অতীত গল্প গুলো হৃদয়ের মানষপটে ভেসে ভেসে জানান দেয় ফেলে আসা দিনগুলো সময়ের সাথে সাথে মধুর থেকে আরো মধুময় হয়। তারপরেও সময়ের সাথে নাগরদোলার মতোই ঘুরে চলছে জীবনের চাকা।</p>
<p style="text-align: justify;">#নাগরদোলা #শ্রিমাইখালবালুমহাল #পটিয়ারেলস্টেশন #ধলঘাট</p>
<p>লেখক ও ভ্রমণকারী : <a href="https://www.facebook.com/hossain.ismail.7">হোসাইন ইসমাইল</a></p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/">নাগরদোলা ও প্রীতিলতার জন্মভিটা</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%b0%e0%a6%a6%e0%a7%8b%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%93-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কুয়াশা</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন/ এমএস]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Jan 2023 12:30:59 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=55810</guid>

					<description><![CDATA[<p>কুয়াশা:মোফাজ্জল হোসেন কুয়াশার তীব্রজালে, সূর্যমামা হারিয়ে গেছে অন্তরালে। থমকে গেছে জনজীবন, অদৃশ্যমান সূর্যের কিরণ। এই ঘোর কেটে যাক, অনগ্রসর মানুষ মুক্তি পাক। হয়তো অচিরেই কেটে যাবে, যদিও কিছু আপন মানুষ হারিয়ে যাবে। বেড়ে যাচ্ছে নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি, সোনামণিরা হারিয়ে ফেলেছে অম্লান হাসি। যদিও উচ্চবিত্ত উপভোগ করে, তারা কি ক্ষতির ব্যাপারটা অনুভব করে??? জানি শীতকাল ফিরে [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be/">কুয়াশা</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: center;"><strong>কুয়াশা:মোফাজ্জল হোসেন</strong></p>
<p>কুয়াশার তীব্রজালে,<br />
সূর্যমামা হারিয়ে গেছে অন্তরালে।</p>
<p>থমকে গেছে জনজীবন,<br />
অদৃশ্যমান সূর্যের কিরণ।</p>
<p>এই ঘোর কেটে যাক,<br />
অনগ্রসর মানুষ মুক্তি পাক।</p>
<p>হয়তো অচিরেই কেটে যাবে,<br />
যদিও কিছু আপন মানুষ হারিয়ে যাবে।</p>
<p>বেড়ে যাচ্ছে নিউমোনিয়া, সর্দি, কাশি,<br />
সোনামণিরা হারিয়ে ফেলেছে অম্লান হাসি।</p>
<p>যদিও উচ্চবিত্ত উপভোগ করে,<br />
তারা কি ক্ষতির ব্যাপারটা অনুভব করে???</p>
<p>জানি শীতকাল ফিরে পেয়েছে প্রাণ,<br />
কিন্তু আমাদের কষ্ট হয় নিতে স্নান।</p>
<p>মধ্যাহ্নের আগেই নির্মূল হোক কুয়াশা,<br />
এই মোদের প্রত্যাশা।</p>
<p>শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be/">কুয়াশা</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%af%e0%a6%bc%e0%a6%be%e0%a6%b6%e0%a6%be/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘তোমাকে কিছু বলার ছিলো’</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন]]></dc:creator>
		<pubDate>Wed, 05 May 2021 18:45:27 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উপ শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=42222</guid>

					<description><![CDATA[<p>ফাহাদ বিন বেলায়েত : কতটা সময় গত হলো, আমার জানা নেই। জানি সময় তার গতিতে চলে যায়। আমার হাতের ঘড়িটা একটি সময়েই আটকে আছে। সময়কে তো বেঁধে রাখা যায় না। তবুও মনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে যেতে পারছিনা! &#160; তোমাকে কিছু বলার ছিলো- না নতুন কোন কথা নয়। যে কথা হয়েছিলো ঘড়ি বন্ধি সময়ে সে কথাগুলোই! যুগল [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/">‘তোমাকে কিছু বলার ছিলো’</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">ফাহাদ বিন বেলায়েত :<br />
কতটা সময় গত হলো, আমার জানা নেই। জানি সময় তার গতিতে চলে যায়। আমার হাতের ঘড়িটা একটি সময়েই আটকে আছে। সময়কে তো বেঁধে রাখা যায় না। তবুও মনের ইচ্ছের বিরুদ্ধে যেতে পারছিনা!</p>
<p>&nbsp;</p>
<p><span id="more-42222"></span></p>
<p style="text-align: justify;">তোমাকে কিছু বলার ছিলো- না নতুন কোন কথা নয়। যে কথা হয়েছিলো ঘড়ি বন্ধি সময়ে সে কথাগুলোই! যুগল প্রেমে ইতিহাস রচনা করার কোন ইচ্ছে নেই আমার। কবিও হতে চাইনা আমি। তবে ভেতরটা কাঁদে- মরুভূমির তপ্তবালুময় প্রাণ যেমন এক ফোটা জলের জন্য হাহাকার করে, ঠিক তেমন করে !</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">একদিন বৃক্ষ হওয়ার কথা ছিলো। রোদ্রতপ্ত ক্লান্ত দুপরে ছায়াসঙ্গী হবে বলে। সে ছায়া বৃক্ষ আজ অবধি আমায় যন্ত্রনা দেয় প্রতিটি মূহর্তে। ৭৩ হাজার ঘন্টার অব্যাক্ত শ্রুতিরা ভেসে বেড়ায় প্রতিটি রক্ত কনিকায়! সেটা কি স্বপ্ন ছিলো? যদি স্বপ্নই হয়ে থাকে তবে কেন ঘুম ভাঙছেনা?</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">তোমাকে কিছু বলার ছিলো- এখন আমাকে আমার অসহ্য লাগে। কুয়াশার সকাল, জ্যোৎস্না রাত, বৃষ্টির শব্দ সব কিছু, এখন বিষাদময়! হারিয়েছি একটা জীবনের সাজানো গল্পের ঝুড়ি! আর হাজারো স্মৃতির স্বপ্নরা অব্যাক্ত হয়ে আঁকড়ে ধরেছে আমার প্রশস্ত হৃদয় জুড়ে! নিঃশ্বাস নেওয়ার মত সময়টা ও দিব্বি আমায় ঘিরে আছে নিঃসঙ্গতায়!</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">তোমাকে কিছু বলার ছিলো- ভুল করেও যা ভোলা যায় না, তার সংক্ষিপ্ত নাম কি? বন্ধুরা নাম দিয়েছে পাগল। এখন আর কাউকে কিচ্ছু বলিনা, বুঝতে দেইনা, চেপে রাখি। চাপা কষ্ট একা বয়ে বেড়ানো অনেক সুখের। ঠিক যতটা সুখ পায় হঠাৎ ছটপট করে মরে যাওয়া কোন প্রাণী!</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">তোমাকে কিছু বলার ছিলো- কিন্তু বলা হলোনা, আমি অপেক্ষায় ছিলাম প্রাণ নিয়ে। যেদিন নিষ্প্রাণ হবো, সেখানে না হয় শেষ অপেক্ষা করবো।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">তামাকে কিছু বলার ছিলো- আর নাইবা বলবে নিষ্প্রাণ দেহ। একবার ছুঁয়ে দিবে কথা দাও আমায়। আমি বুঝে নিবো আমার সকলই তোমার জানা। তোমার কাজল ধোয়া চোখের জলে।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">তোমাকে কিছু বলার ছিলো- তুমি ভালো থেকো, অনেক অনেক ভালো থেকো।</p>
<p>&nbsp;</p>
<p style="text-align: justify;">লেখক : <a href="https://www.facebook.com/fahadbin.belayet.9">ফাহাদ বিন বেলায়েত</a></p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/">‘তোমাকে কিছু বলার ছিলো’</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%ab%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>কেমন আছে কামারের চরের দুর্গম মানুষগুলো ?</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 26 Apr 2021 09:02:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উপ শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=41738</guid>

					<description><![CDATA[<p>হোসাইন মোঃ ইসমাইল : সময় ২০০৯ সালের শীতের শুরুর দিকে। বিদেশী একটি এনজিওর কাজে আমার পা পড়েছে শেরপুর জেলার কামারের চর আর ৭ নং চরের মাটিতে। এলাকার মানুষ, সংস্কৃতি আর প্রকৃতি আজও চোখের সামনে ভেসে বেড়ায়। আজ এতো বছর পরেও, জানতে ইচ্ছে করে কেমন আছে কামারেরচর আর দুর্গম ৭নং চরের মানুষগুলো? এখনও কি সরলতায় ভর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0/">কেমন আছে কামারের চরের দুর্গম মানুষগুলো ?</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<div>
<div class="" dir="auto">
<div id="jsc_c_1k" class="ecm0bbzt hv4rvrfc e5nlhep0 dati1w0a" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="j83agx80 cbu4d94t ew0dbk1b irj2b8pg">
<div class="qzhwtbm6 knvmm38d">
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q">
<div dir="auto" style="text-align: justify;">হোসাইন মোঃ ইসমাইল :</div>
<div dir="auto" style="text-align: justify;">সময় ২০০৯ সালের শীতের শুরুর দিকে। বিদেশী একটি এনজিওর কাজে আমার পা পড়েছে শেরপুর জেলার কামারের চর আর ৭ নং চরের মাটিতে। এলাকার মানুষ, সংস্কৃতি আর প্রকৃতি আজও চোখের সামনে ভেসে বেড়ায়। আজ এতো বছর পরেও, জানতে ইচ্ছে করে কেমন আছে কামারেরচর আর দুর্গম ৭নং চরের মানুষগুলো? এখনও কি সরলতায় ভর করে সূর্য উঠে শেরপুরের কামারেরচরে ?</div>
<div dir="auto"><span id="more-41738"></span></div>
<div dir="auto" style="text-align: justify;"></div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">আমি ঘুরতে ভালোবাসি। এজন্য সুযোগ পেলে হাতছাড়া করি না। ২০০৯ সালে একটি বিদেশী এনজিওর কাজে কয়েকজনের সঙ্গে শেরপুরের কামারের চরে যাওয়ার প্রস্তাব পাই। এতেই আমি খুশি। শীতের শুরু তখন। শেরপুর সদর এর কামারের চর চলে গেলাম সেখান থেকে ৭ নং চরে যেতে হবে পায়ে হেঁটে অথবা ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে। কৃষি নির্ভর ওই এলাকার মানুষের জন্য ঘোড়ার গাড়িতে চড়া ব্যয়বহুল। তবে আমরা ঠিকই ঘোড়ার গাড়িতে যাবো। ঘোড়ার গাড়ির বসার অংশটি বাঁশের পাটাতন। আমরাও খুব আয়েশ করে লেপ্টে বসেছি।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে কামারের চর থেকে আমাদের যাত্রা শুরু। আমাদের দিকে উৎসুক জনগণের চাহনি অজানা এক আনন্দই লাগছিলো। ঘর-বাড়ির মাঝখানের পথ দিয়ে যাওয়ার সময় বেঁড়ার ছিদ্র দিয়ে গায়ের বধূরা তাকিয়ে ছিলো আমাদের দিকে। আর জন্মদিনের ড্রেসে ছোট ছোট পিচ্ছির দল পেছন পেছন দৌড়াচ্ছে। আর তাদের নাক থেকে পড়ছে গাড়ো লিকুইড।</div>
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto"><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-41746" src="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94459601_3093561477332734_441310604083331072_n-1.jpg" alt="" width="750" height="390" srcset="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94459601_3093561477332734_441310604083331072_n-1.jpg 750w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94459601_3093561477332734_441310604083331072_n-1-300x156.jpg 300w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94459601_3093561477332734_441310604083331072_n-1-105x54.jpg 105w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94459601_3093561477332734_441310604083331072_n-1-104x53.jpg 104w" sizes="(max-width: 750px) 100vw, 750px" /></div>
</div>
<div dir="auto">কিছু দূর চলার পরে রাস্তা শেষ। বালুময় জমির মাঝ দিয়েই এবার চলছে ঘোড়ার গাড়ি। এবড়ো থেবড়ো রাস্তার মাঝে দু’তিন জায়গায় নেমেও যেতে হয়েছে আমাদের। দুর্গম ৭ নং চরে পৌঁছানোর আগেই রহমত মিয়া আমাদের রিসিভ করতে আসছেন। চেয়ারম্যান আলতাফ সাহেব আগেই আমাদের আসার কথা বলেছেন। যোহরের নামাজের আগেই আমরা যথাস্থানে পৌঁছালাম। ৭ নং চরে পশ্চিমপাড়া মসজিদের পাশে রুমে আমাদের থাকার জায়গা করে দিলেন রহমত মিয়া।</div>
<div dir="auto"></div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">টিউবওয়েলের পানিতে গোসল সেরে নামাজে গেলাম। নামাজ শেষ করতে করতেই অচেনা একটা মৌ মৌ গন্ধে মুখর হতে লাগলাম। খাবার হাজির, মাটির পাতিলে ভাত, ছোট মাছ আর মুরগি সবই কলা পাতা দিয়ে ঢাকা ছিলো। আহ কি ঝালে মাখা মুরগি! মাসকলাইয়ের ডাল। উদরপূর্তি ভোজন!</div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto">পাড়ার মাঝখানেই ছোট্ট একটা বাজার গোটা ১৪-১৫টা দোকানঘর। একটা বটগাছের ছায়ায় ফাঁকা জায়গা। সবই বন্ধ। তার ঠিক অন্য পাশ দিয়েই ছুটে চলছে বহ্মপুত্র নদ। একেবারেই স্বচ্ছ পানি। কোমরের চেয়ে বেশি হবে না সব জায়গায়। নেই কোন লোক সমাগম। দোকানও বন্ধ। কি আজব বাজার। খোঁজ নিয়ে জানলাম দোকান খুলবে সন্ধ্যার দিকে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
</div>
<div dir="auto"></div>
<div class="j83agx80 cbu4d94t ew0dbk1b irj2b8pg">
<div class="qzhwtbm6 knvmm38d">
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto">মাগরিব পড়ে যখন বাজারে আসলাম। লোকে লোকারন্য দেখেইতো হতবাক! কুপির আলোয় ভরপুর পুরো বাজার। কোথাও জিলাপী, ডাল ভড়া, চা, পিঠাসহ নানা জিনিষ বিকিকিনিতে ব্যাস্ত সবাই। আহ জিলাপির স্বাদ মুখে লেগে আছে। রাতে নিস্তব্ধ গ্রামটাতে হিমশীতল পূবালী বাতাসের উৎসবে ঘুমিয়ে পড়লাম কম্বল মুড়ি দিয়ে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div dir="auto"><img decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-41744" src="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/175341156_192958099182637_7018175313985531562_n.jpg" alt="" width="750" height="390" srcset="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/175341156_192958099182637_7018175313985531562_n.jpg 750w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/175341156_192958099182637_7018175313985531562_n-300x156.jpg 300w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/175341156_192958099182637_7018175313985531562_n-105x54.jpg 105w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/175341156_192958099182637_7018175313985531562_n-104x53.jpg 104w" sizes="(max-width: 750px) 100vw, 750px" /></div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">পরদিন ভোর না হতেই মানুষের হাঁকডাক। ফজরের নামাজে মসজিদে মানুষের উপস্থিতি, কানায় কানায় পূর্ণ! নামাজ পড়ে বাজার দিকে পা বাড়ালাম। বটগাছ লাগোয়া পুরো মাঠে মানুষের জটলা। কাঁচা সবজির বাজার, মূলা, বেগুন, শিম, টমেটো ও নানা ধরনের শাকে ভরপুর বাজার। এক কোনায় কিছু মানুষ দুধ নিয়ে দাড়িয়ে আছে। কেউ এককেজি কেউ ৩-৪ কেজি। দাম শুনে শায়েস্তা খাঁনের কথা মনে পড়ে গেলো। কেজি প্রতি ১৯ টাকা করে! তাও নাকি বাজার ভেদে দাম কমে বাড়ে। মাছের বাজারে বড় মাছ নেই বললেই চলে। অচেনা কিছু ছোট ছোট মাছ আর তেলাপিয়া, টাকি, কই, ট্যাংরা এসব মাছই বেশী।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
<div dir="auto"></div>
<div class="qzhwtbm6 knvmm38d">
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto">এবার আমাদের গ্রাম ঘুরে দেখার সময়, গ্রামের দক্ষিণ প্রান্ত থেকে হাঁটা শুরু করলাম। প্রত্যেকটা বাড়িই ছনের চাউনি দিয়েই তৈরী। দু-তিনটি ঘর নিয়েই একটি পরিবারের বসবাস। গরু, ছাগল, ভেড়া ও ঘোড়ার সরব উপস্থিতি। পুরুষরা সবাই ক্ষেত খামারে ব্যস্ত।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">গামছা আর লুঙ্গি নিয়ে আমরা চলে গেলাম নদীর পাড়ে। ভর দুপুরের তপ্তরোদে বহ্মপুত্রের স্বচ্ছজল উজান থেকে ভাটির দিকে বয়ে চলছে অনবরত। বুক সমান পানিও নেই। নিচের বালি ও ছুটে চলা মাছ ও স্পষ্ট দেখা যায়। পানিতে নামার দেরি সইছে না। নেমে পড়লাম পানিতে। অনেকক্ষন দপাদপি করা শেষ। এরপর আবিস্কার করলাম উপুড় হয়ে ভেঁসে থাকলে পানির ¯স্রোত ভাটির দিকে টেনে নিবে। সেই মজা পেলাম ব্যাপারটাতে। পাড়ে উঠে অনেক পেছনে গিয়ে আবার গা ভাসিয়ে দিতাম পানিতে, আহ কি অসাধারণ!</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<div dir="auto"><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone size-full wp-image-41745" src="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94703100_3093561397332742_1736524358026788864_n.jpg" alt="" width="750" height="390" srcset="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94703100_3093561397332742_1736524358026788864_n.jpg 750w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94703100_3093561397332742_1736524358026788864_n-300x156.jpg 300w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94703100_3093561397332742_1736524358026788864_n-105x54.jpg 105w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2021/04/94703100_3093561397332742_1736524358026788864_n-104x53.jpg 104w" sizes="auto, (max-width: 750px) 100vw, 750px" /></div>
<div class="" dir="auto">
<div id="jsc_c_1k" class="ecm0bbzt hv4rvrfc e5nlhep0 dati1w0a" data-ad-comet-preview="message" data-ad-preview="message">
<div class="j83agx80 cbu4d94t ew0dbk1b irj2b8pg">
<div class="qzhwtbm6 knvmm38d">
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto">দু-একজন গ্রামবাসীকে দেখলাম ঠেলা জাল নিয়ে মাছ ধরছে। আমরাও চেষ্টা করলাম। আজব ও সরল এক গ্রাম। সামান্য ছড়ুই (মুরগি) জবেহ করবে সেটাও নিয়ে আসে মসজিদের হুজুরের কাছে।</div>
</div>
<div dir="auto"></div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">দুপুরের খাবারে কুমড়ো শাকের ঝাঁল ভাজি, টাকি মাছের তরকারি ও মাসকলাইয়ের ডাল চেটেপুটেই খেলাম। তবে ঝাঁলে হাপাতে হাপাতে দৌড়ালাম বাজারের দিকে। মিষ্টি কিছু দিয়ে যদি ঝাঁল মেটানো যায়। অনেক কষ্টে একটা দোকান খোলা পেলাম। দোকানিকে ভালো বিস্কিট দিতে বললাম। প্যাকেট খুলে মুখে দিয়ে কোন রকম একটা খেয়ে পরের টা মুরগির জন্য ফেলে দিলাম। মুরগি দৌড়েও আসলো কিন্তু মুখে নিয়ে ফেলে দিলো। বুঝাই যায়, কেমন বিস্কিট আর তার কেমন স্বাদ!</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">সন্ধ্যায় বটতলায় গানের আসর। মনমাতানো লোকগান। আর কি চাই, দুর্গম এই গ্রামে ? রাতে যে কি চমক অপেক্ষা করছে, তা এখনো বাকি।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">মাঝ রাতে ভরা পুর্নিমা। চাদের কিরনে রুমটা মিষ্টি আলোয় ভরে দিলো। ততক্ষনে পুরো গ্রাম নিস্তব্দ। দৌড়ে চলে গেলাম নদীর পাড়ে, এমন মায়াবী জোছনায় আলোকিত সব ছোট ছোট ঘর আর কলাগাছ গুলো সারা জীবন মনে থাকবে। জামাল উদ্দিন ভাইয়ের গলায় ‘ও আমার উড়াল পঙ্খিরে, চাঁদনী পসরে কে আমায় স্বরণ করে’ গানগুলো আরো জীবন্ত করে তুলেছে রাতটা। সেই রাতে আমাদের আর ঘুমের সাথে দেখাই হয়নি। পরদিন বিকালে আমাদের গন্তব্য পাশের উপজেলা জামালপুরের মেলান্দহে। যেতে হবে পায়ে হেঁটেই। বছর ১৩ বয়সের আজিজুল আমাদের গাইড। নদী পার হয়ে সোজা পশ্চিমে হেঁটে যেতে হবে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">১৫ কিলোমিটার পথের প্রথমেই পাড়ি দিতে হবে বহ্মপূত্র। যেখানে কোন নৌকা নেই। তাই পায়ে হেটে বা সাঁতরে পার হতে হবে। গাইড সামনে আর আমরা পিছু পিছু তার অনুসরন করছি। পানিতে শরীর যতটুকু ডুবছে গাইডের লুঙ্গি ততটুকুই উপরে উঠাচ্ছে। ভিজেই নদী পার হলাম, সন্ধ্যার পরে রুপালী চাঁদকে সঙ্গে নিয়ে হেঁটে যাচ্ছি গ্রামের পথ ধরে। দূর থেকে ভেঁসে আসা শ্যালো মেশিন এর শব্দ সঙ্গে নিয়ে। একটা ক্ষেত থেকে আঁখ কেটে খাওয়া ধরলাম আমরা। রেল লাইন পার হয়ে অবশেষে পৌঁছলাম মেলান্দহে।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">রাত পার হয়ে ভোর বেলায় মিষ্টি পিঠার গরম ধোঁয়ায় বিমোহিত হলাম। সাথে পেটে চালান দিলাম হৃদয় ভরে। ১০ টায় বের হলাম জামালপুর অভিমুখে। কিন্তু সমস্যা একটাই গাইডকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। পরে অবশ্য খোঁজ পাওয়া গেলো- গাইড সিনেমা হলে সকালের শো মিস করেনি। আবার ফিরে এলাম ৭নং চরে। দিন কয়েক কাটিয়ে ফিরে চললাম কামারের চরে। সঙ্গে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এর ডা. মাহমুদ ভাই। সেই ঘোড়ার গাড়ি। এই কদিনে ঘোড়ার খি হি হি হি ডাক টা যত্ন করেই আয়ত্ব করে ফেলছেন জামাল ভাই।</div>
<div dir="auto"></div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q" style="text-align: justify;">
<div dir="auto"></div>
<div dir="auto">কামারের চরে হাটবারে সখের বসে চুল কেটেছিলাম গাছ তলার খোলা সেলুনে। সন্ধ্যার তাজা মিষ্টি, দুধ ও রুহুল আমিনের দোকানের দুধ চা পানির মতোই খেয়েছি এই কদিনে। যেদিন বিদায়ের ঘন্টা বেজে গেলো আলতাফ চেয়ারম্যান বলেই ফেললেন থেকে যাও এই গ্রামে, আমার নাতিন জামাই হয়ে। পড়ন্ত সন্ধ্যায় বহ্মপুত্র এক্সপ্রেসের জানালার শীতল বাতাসে শুধুই চোখে ভাসছে চরের সরল সহজ জীবন আর আধুনিকতাহীন মায়াময় মাটির ঘ্রাণ। আজ এতো বছর পরেও, জানতে ইচ্ছে করে কেমন আছে কামারেরচর আর দুর্গম ৭নং চরের মানুষগুলো? এখন ও কি সরলতায় ভর করে সূর্য উঠে শেরপুরের কামারেরচরে। কেমন আছে চেয়ারম্যানের সেই নাতনি। সত্যি বলতে কামারের চর আর ৭ নং চরের মানুষ, সংস্কৃতি আর প্রকৃতি শুধুই আপন করতে জানে। গ্রামগুলো শুধুই ভালোবাসতে জানে।</div>
</div>
<div class="o9v6fnle cxmmr5t8 oygrvhab hcukyx3x c1et5uql ii04i59q">
<div dir="auto" style="text-align: justify;"></div>
<div dir="auto" style="text-align: justify;"></div>
<div dir="auto" style="text-align: justify;">ভ্রমণকারী ও লেখক : <a href="https://www.facebook.com/hossain.ismail.7" target="_blank" rel="noopener">হোসাইন ইসমাইল</a></div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
</div>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0/">কেমন আছে কামারের চরের দুর্গম মানুষগুলো ?</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%86%e0%a6%9b%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%9a%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>এমন তারিখ আর কখনোই দেখবে না বিশ্ব</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%96-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%96-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন/ এমএস]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 10 Oct 2020 09:11:32 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=32677</guid>

					<description><![CDATA[<p>আজকের তারিখটি ক্যালন্ডারে একটু ভালো করে দেখুন। অবাক হচ্ছেন? মাসের ১০ তারিখ আজ। আর বছরের দশম মাস হচ্ছে অক্টোবর। এছাড়াও চলছে ২০২০ সাল তা তো সবারই জানা। অংকে পুরো তারিখটা লিখতে হবে এভাবেই– ‘১০-১০-২০২০’। বিষয়টা মজার না? দশ-দশ-বিশ একটি স্মরণীয় তারিখ। অংকের যোগফলটি আজ দেখা দিচ্ছে তারিখেও। এমন তারিখ আর কখনোই দেখবে না বিশ্ব। এ [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%96-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8/">এমন তারিখ আর কখনোই দেখবে না বিশ্ব</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p dir="ltr">আজকের তারিখটি ক্যালন্ডারে একটু ভালো করে দেখুন। অবাক হচ্ছেন? মাসের ১০ তারিখ আজ। আর বছরের দশম মাস হচ্ছে অক্টোবর। এছাড়াও চলছে ২০২০ সাল তা তো সবারই জানা। অংকে পুরো তারিখটা লিখতে হবে এভাবেই– ‘১০-১০-২০২০’। বিষয়টা মজার না?</p>
<div align="left">
<p dir="ltr">দশ-দশ-বিশ একটি স্মরণীয় তারিখ। অংকের যোগফলটি আজ দেখা দিচ্ছে তারিখেও। এমন তারিখ আর কখনোই দেখবে না বিশ্ব।</p>
</div>
<div align="left">
<p dir="ltr">এ বছর এমন আরো মজার তারিখ ছিল। যেমন- বছরের সবচেয়ে কনফিউজিং তারিখ ১০-০৯-২০।</p>
</div>
<div align="left">
<p dir="ltr">ফেব্রুয়ারিতে আরেকটি মজার তারিখ ছিল। সেদিন তারিখে ছিল মাত্র দু’টি সংখ্যা। সম্পূর্ণ তারিখটি লিখতে হলে দুটি সংখ্যাই চার বার ব্যবহার করতে হয়েছিল। যেমন- ২০-০২-২০২০; ‘মাস/দিন/বছর’ বা ‘দিন/মাস/বছর’—তারিখটি যেভাবেই লেখেন না কেন ‘২’ ও ‘০’ চার বার লিখতে হবে।</p>
</div>
<div align="left">
<p dir="ltr">প্যালিনড্রোম বছরে এ পদ্ধতি ছাড়া এমন তারিখ আগে এসেছিল ৮০৮ বছর আগে। সেটি ছিল- ২১-১২-১২১২। তবে গতানুগতিক হিসেবে গত এক হাজার বছরে কয়েকবার এসেছে এমন তারিখ। যেমন- ০২-০২-২০২০, ১২-১২-১২১২, ১১-১১-১১১১ ও ১০-১০-১০১০।</p>
</div>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%96-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8/">এমন তারিখ আর কখনোই দেখবে না বিশ্ব</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%96-%e0%a6%86%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%96%e0%a6%a8%e0%a7%8b%e0%a6%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a6%ac%e0%a7%87-%e0%a6%a8/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>‘একবার এসে দেখে যান কমলনগর’</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন/ এমএস]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 31 May 2020 09:41:30 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=25610</guid>

					<description><![CDATA[<p>শিরোনাম দেখে কী ভেবেছেন? নিশ্চয় ভেবেছেন, স্বপ্নের মতো একটি দর্শনীয় স্থান ঘুরে আসতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। কিন্তু না। ক্ষতবিক্ষত ছবি দেখে তেমনটা ভাবার কোনো জো নেই। কমলনগরের পুরো দেহে লেগে আছে ক্ষতচিহ্ন। নদীভাঙনের ক্ষত। মেঘনাতীরের পথ ধরে হাঁটলে এ ক্ষতটা বেশিই অনুভব হয়। ভরদুপুর। যে সময় চুলোয় আগুন জ্বলার কথা, সে সময় নদীতীরের নারীরা ব্যস্ত [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%97/">‘একবার এসে দেখে যান কমলনগর’</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[<p>শিরোনাম দেখে কী ভেবেছেন? নিশ্চয় ভেবেছেন, স্বপ্নের মতো একটি দর্শনীয় স্থান ঘুরে আসতে আহ্বান জানানো হচ্ছে। কিন্তু না। ক্ষতবিক্ষত ছবি দেখে তেমনটা ভাবার কোনো জো নেই। কমলনগরের পুরো দেহে লেগে আছে ক্ষতচিহ্ন। নদীভাঙনের ক্ষত। মেঘনাতীরের পথ ধরে হাঁটলে এ ক্ষতটা বেশিই অনুভব হয়।</p>
<p>ভরদুপুর। যে সময় চুলোয় আগুন জ্বলার কথা, সে সময় নদীতীরের নারীরা ব্যস্ত ঠিকানা বদলানোর কাজে। কোথায় গোসল, কোথায় খাওয়া-দাওয়া। এসব যেন ভুলে গেছে নদীতীরের মানুষ।</p>
<p>ভোররাত। যে সময়টা ডুবে যাওয়ার কথা গভীর ঘুমে। সে সময়টা নদীতীরের মানুষের কাটে ভাঙন দৃশ্য পাহারায়। কখন ঘরের ভিটেটা নদীগর্ভে হারিয়ে যাবে, সে আতঙ্কে ঘুমের দেখা মেলে না।</p>
<p>এমন গল্প আজ বা কালকের নয়। যুগ যুগ ধরে এ করুণ গল্পের বোঝা বয়ে বেড়ায় কমলনগরের মানুষ। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা লক্ষ্মীপুরের বৃহত্তর রামগতি উপজেলা থেকে ভাগ হয়ে ২০০৬ সালে গঠিত হয় কমলনগর উপজেলা। উপজেলা গঠনের অনেক আগে থেকেই মেঘনার করালগ্রাসে ভাঙছে কমলনগর।</p>
<p>নদীভাঙনে গৃহহীন, ভূমিহীন হয়ে পড়েছেন এখানকার ৫০ হাজার মানুষ। এ সংখ্যাটা দিন দিন আরও বাড়ছে। নদীভাঙনের শিকার হয়ে এখানের বেশিরভাগ মানুষের শেষ ঠাঁই মেলে রাস্তার ধারে, খোলা আকাশের নিচে কিংবা অন্যের আশ্রয়ে।</p>
<p>জেলা শহরের পথ ধরে লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কের পাশ হয়ে উঠেছে এখানকার মানুষের প্রধান আশ্রয় শিবির। সড়কের পাশে মানবেতর জীবনযাপন করা এসব মানুষের দিকে নজর পড়ে না কারো। সামাজিকভাবেও মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি মেলে না তাদের। সড়কটির মিয়ারবেড়ি থেকে চর লরেন্স পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার অংশজুড়ে কোনোমতে ঝুপড়ি ঘরে বসতির দেখা মেলে নদীভাঙা হাজার হাজার মানুষের।<br />
নদীভাঙনে কমলনগরের সবচে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা চর কালকিনি, সাহেবেরহাট, ফলকন ও পাটোয়ারিরহাট। নতুন করে ক্ষতির মুখে চর মার্টিন ও চর লরেন্স। ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ছড়িয়ে পড়েছেন কমলনগর ও জেলার বিভিন্ন স্থানে। ধার-দেনা, ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে এখানকার বেশির ভাগ মানুষ কোনোমতে একটু মাথা গোঁজার ঠাঁই খোঁজেন।</p>
<p>নদীর পাড়ে বসতি স্থাপন করেন। টাকার অভাবে কম দামে কেনা জমিতে বসতি গড়েন। কিন্তু বছর পার হতে না হতেই ভেঙে নেয় বসতি। এভাবে ভাঙনের শিকার হচ্ছেন নদীতীরের মানুষ।</p>
<p>কমলনগরের মেঘনার পথে পথে খবর খুঁজে বেড়াই আজ ৫ বছর। নোটবুকের পাতা, খবরের শিরোনামে যুক্ত হয় হৃদয় ভাঙা বহু গল্প, মানুষের আকুতি-মিনতি। কিন্তু কে দেখে এসব? কেবলই আশ্বাস, কাজের কোনো দেখা নেই।</p>
<p>নদীর পথে পথে এমনও মানুষের দেখা মিলেছে, যারা নদীতে ৭, ৮, ৯, ১০ বারের মতো ভাঙনের শিকার হয়ে পথে বসেছেন। ঠিকানা বদল করে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন নিকটাত্মীয়ের থেকে। যাদের সঙ্গে সকাল-সন্ধ্যা কাটতো, তাদের দেখা মেলে না বছরে একবার।</p>
<p>ঘর-বাড়ি নদীতে হারিয়েছেন চর কালকিনির নবীগঞ্জ এলাকার আলতাফ হোসেন। এখনো জমি-জমা কিনেছেন? এমন প্রশ্নে আলতাফের সোজা উত্তর, ‘কী দিয়া জায়গা-জমি কিনমু? কী আছে আমাগো? সবতো গাঙ্গেই নিয়া গ্যাছে। কোথাও যে এক টুকরো জমি কিনে ঘরটা তুলমু, সে সাধ্য আমার নাই। অন এক বেলা যে ঠিকমতো ভাত খাইতে পারমু কি না, সেইটা নিয়াও টেনশন করতাছি।’</p>
<p>চর কালকিনির নাছিরগঞ্জ নদীপাড়ের বাসিন্দা পারুল বেগমের অভিযোগ, ‘আমরা কেমন আছি, কে লয় আমাগো খবর? খুব কষ্টে যে দিন কাডাই, কেউ কি দেখে? এত কিছু আসে, আমরাতো এক মুট চালও পাই না। বারবার গাঙে সব ভাঙি নিয়া যাইতাছে। আমরা খুব কষ্টে আছি, খুব কষ্টে। একবার এসে দেখে যান কমলনগর। এখানের মানুষ কী কষ্টে জীবনযাপন করতাছে।’</p>
<p><img loading="lazy" decoding="async" class="alignnone size-medium wp-image-25611" src="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2020/05/Kamalnagar-Risingbd120200531113908-300x156.jpg" alt="" width="300" height="156" srcset="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2020/05/Kamalnagar-Risingbd120200531113908-300x156.jpg 300w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2020/05/Kamalnagar-Risingbd120200531113908-105x54.jpg 105w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2020/05/Kamalnagar-Risingbd120200531113908-104x53.jpg 104w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2020/05/Kamalnagar-Risingbd120200531113908.jpg 750w" sizes="auto, (max-width: 300px) 100vw, 300px" /><br />
কমলনগরের নদীভাঙনের চিত্র সরকারের উপর মহলে যে পৌঁছেনি, এমনটাও না। পৌঁছেছে, বরাদ্দ হয়েছে, কাজে লোপাট হয়েছে। আবার যে বরাদ্দ হয়েছে, সেটা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই নগণ্য। কমলনগরের নদীতীরবর্তী সীমানা ১৭ কিলোমিটার। ভাঙন ঠেকাতে বাঁধ নির্মাণ হয়েছে মাত্র ১ কিলোমিটার! আবার এ বাঁধ এখন পর্যন্ত ভেঙেছে ১১ বার! এভাবে কি কমলনগরকে বাঁচানো সম্ভব? প্রশ্নটা এখানকার মানুষের।</p>
<p>কমলনগরের নদীর পথে পথে চর কালকিনি, চর মার্টিন, লুধুয়া ফলকন, পাটোয়ারীরহাট, সাহেবেরহাট ইউনিয়নে চোখ মেললে দেখা যায়, ভাঙনের তীব্রতা কোনো অংশে কম নয়। চর কালকিনি ইউনিয়ন নদীতে ভেঙে দুই ভাগ হয়েছে। মাঝ বরাবর ঢুকে পড়েছে চর মার্টিন। নদীতীরের পথ ধরে হাঁটলে অসংখ্য পারুল বেগম, আয়েশা বেগম, আলেফা বেগমের গল্প জানা যায়। তাদের অভিযোগ নোটবুকের পাতায় জমাট বাঁধাই। অভিযোগের সংক্ষিপ্ত বাক্যটা, ‘আমাদের দিকে কেউ ফিরেও চায় না’।</p>
<p>স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মাস্টার সায়েফ উল্লাহ বলেন, ‘আমার বাড়ি-ঘরও কয়েক বার নদীভাঙনের শিকার হয়েছে। নদীতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আমার ইউনিয়ন। দু’একটা ওয়ার্ড ছাড়া, সব এখন নদীগর্ভে। মানুষের কষ্টেরও সীমা নাই। বেড়িবাঁধের পাশে, না হয় কেউ একটু জায়গা দিলে কোনো মতে মানুষ থাকে। এই রকম মানবেতর জীবনযাপন অন্য কোথাও নাই। আমরা সরকারের কাছে বারবার দাবি করেও এর কোন স্থায়ী ফল পাইনি।’</p>
<p><strong>সূত্র:রাইজিংবিডি.কম</strong></p>
<p>&nbsp;</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%97/">‘একবার এসে দেখে যান কমলনগর’</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%8f%e0%a6%95%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%8f%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%96%e0%a7%87-%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%95%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সৌদিতে জ্বরে বাংলাদেশীর মৃত্যু : পরিবার বলছে হত্যা</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন/ এমএস]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 06 Apr 2020 09:40:54 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উপ শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=21014</guid>

					<description><![CDATA[<p>সৌদি আরবের মক্কায় অবস্থান করা লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর গ্রামের মোঃ শাখাওয়াত হোসেনের বড় ছেলে ইউসুফ হোসেন (৪২) জ্বর-সর্দি ও কাঁশিতে আক্রান্ত হয়। খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার চিকিৎসকরা তাকে কিং আবদুল্লাহ হসপিটালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় তার মৃত্যু হয়। এদিকে ইউসুফের স্ত্রী রোজিনা বেগমের বড় ভাই বিল্লাল হোসেন সৌদি [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0/">সৌদিতে জ্বরে বাংলাদেশীর মৃত্যু : পরিবার বলছে হত্যা</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p> সৌদি আরবের মক্কায়  অবস্থান করা লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলার দরবেশপুর গ্রামের  মোঃ শাখাওয়াত হোসেনের বড় ছেলে ইউসুফ হোসেন (৪২) জ্বর-সর্দি ও কাঁশিতে আক্রান্ত হয়।</p>



<p> খবর পেয়ে বৃহস্পতিবার চিকিৎসকরা তাকে কিং আবদুল্লাহ হসপিটালে নেয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় রবিবার (৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় তার মৃত্যু হয়।  এদিকে ইউসুফের স্ত্রী রোজিনা বেগমের বড় ভাই বিল্লাল হোসেন সৌদি আরবের একই জায়গায় কর্মরত।</p>



<p> ইউসুফের দুই ছোট ভাই ইয়াসিন ও ফারুকের বরাত দিয়ে জানান, ইউসুফ সম্পূর্ণ সুস্থ্য ছিলেন। গত দুই তিনদিন থেকে সামান্য জ্বর সর্দি হলে স্থানীয় হসপিটালে গেলে তারা তাঁকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঘরে থাকতে বলেন। হটাৎ বৃহস্পতিবার সকালে বেশ কয়েকজন চিকিৎসক ও পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সে করে তাঁকে কিং আবদুল্লাহ হসপিটালে নিয়ে যায়। তারপর থেকে ইউসুফের কোন খোঁজ খবর আমরা পাইনি। </p>



<p> সৌদিতে কর্মরত ইউসুফের  দুই ছোট ভাই আরো জানান, সৌদি মালিকের অজ্ঞাতসারে তাঁকে হসপিটালে নিয়ে যায়। এদিকে দীর্ঘদিন পর সৌদি থেকে ফিরে আসা ইউসুফের স্ত্রী’র বড় ভাই বিল্লাল হোসেন আরো জানান, কিং আবদুল্লাহ হসপিটালের যে ইউনিটে তার বোনের স্বামীকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে তা করোনা ইউনিট। অথছ আমার বোনের স্বামীর হার্টের সমস্যা ছিলো। গত কয়েকদিন পূর্বে বাড়ীতে তার বুক ব্যাথার কথা জানালে আমরা স্থানীয় একটি মসজিদে দোয়ার আয়োজন করি। হটাৎ গতকাল রবিবার বিকাল ৫টায় আমরা খবর পাই আমার বোনের স্বামী হসপিটালে মৃত্যু বরন করেছেন। এদিকে ইউসুফের মৃত্যুর খবর তার গ্রামের বাড়ীতে পৌঁছালে পরিবারের সদস্যদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে।</p>



<p>  স্ত্রী রোজিনা বেগম জানান, আমার স্বামী সম্পূর্ণ সুস্থ ছিলেন, আগেরদিন রাতেও আমার সাথে কথা হয়েছে। আমার এক ছেলে এক মেয়ের কান্নায় আকাশ বাতাস ভারী হয়ে আছে।</p>



<p> ইউসুফের বাবা শাখাওয়াত হোসেন ছেলের এমন মৃত্যুতে বিলাপ করতে করতে জানান, আমার ছেলেকে সৌদি হসপিটাল কর্তৃপক্ষ হত্যা করেছে। জ্বর সর্দির আক্রান্ত হয়ে আমার ছেলে অসুস্থ হলেও সৌদি সরকার করোনা রোগী বানিয়ে আমার ছেলেকে খুন করেছে। আমি বাংলাদেশ সরকাররের মাধ্যমে আমার ছেলে হত্যার বিচার চাই। </p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0/">সৌদিতে জ্বরে বাংলাদেশীর মৃত্যু : পরিবার বলছে হত্যা</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8c%e0%a6%a6%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6%e0%a7%80%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>সংবাদ পাঠিকাকে বিয়ে করছেন তাহসান!</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন/ এমএস]]></dc:creator>
		<pubDate>Mon, 24 Feb 2020 04:30:20 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=19184</guid>

					<description><![CDATA[<p>শোবিজের আদর্শ দম্পতি বলা হতো সংগীতশিল্পী তাহসান খান ও মডেল-অভিনেত্রী মিথিলাকে। ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট বিয়ে করেন তারা। তারপর থেকে সুখে শান্তিতেই বসবাস করে আসছিলেন। তাদের সেই সংসারে এক কন্যাসন্তানও রয়েছে। নাম আইরা তাহরিম খান। সব দেখে বলা হতো তারকাদের ঠুনকো দাম্পত্য জীবনের বিপরীতে তাহসান-মিথিলা দারুণ উদাহরণ। কিন্তু দীর্ঘ ১১ বছর মিথিলার সঙ্গে সংসারের পর [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87/">সংবাদ পাঠিকাকে বিয়ে করছেন তাহসান!</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>শোবিজের আদর্শ দম্পতি বলা হতো সংগীতশিল্পী তাহসান খান ও মডেল-অভিনেত্রী 
মিথিলাকে। ২০০৬ সালের ৬ আগস্ট বিয়ে করেন তারা। তারপর থেকে সুখে শান্তিতেই 
বসবাস করে আসছিলেন। তাদের সেই সংসারে এক কন্যাসন্তানও রয়েছে। নাম আইরা 
তাহরিম খান।</p>



<p>সব দেখে বলা হতো তারকাদের ঠুনকো দাম্পত্য জীবনের বিপরীতে তাহসান-মিথিলা 
দারুণ উদাহরণ। কিন্তু দীর্ঘ ১১ বছর মিথিলার সঙ্গে সংসারের পর ভক্তদের মন 
খারাপ করে ২০১৭ সালের ২০ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন দুই 
তারকা।</p>



<p>এরপর ২০১৯-এর ডিসেম্বরে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন মিথিলা। 
বিয়ের কিছুদিন পরই তাহসানের বিয়ের গুঞ্জন ওঠে। শোনা যাচ্ছে মিথিলার সঙ্গে 
বিবাহ বিচ্ছেদের পর আবারও নতুন করে সংসার গড়তে চলছেন তিনি।</p>



<p>বাংলাদেশের বেশকিছু গণমাধ্যমে তাহসান আবারও বিয়ে করছেন বলে খবর প্রকাশ 
হয়েছে। কাকে বিয়ে করছেন তাহসান? সম্প্রতি কয়েকটি সংবাদমাধ্যম খবর প্রকাশ 
করে, ঢাকার বনানী অঞ্চলের একটি রেস্তোরাঁয় এক সংবাদ পাঠিকার সঙ্গে সময় 
কাটাতে দেখা যায় তাহসানকে। অনেকেই বলছেন, ওই নারীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন
 তাহসান।</p>



<p>শুধু দেশেই নয়, এবার দেশ ছাড়িয়ে বিদেশি পত্রিকায়ও দেখা যাচ্ছে তাহসানের 
বিয়ের গুঞ্জনের খবর। বাংলাদেশের কয়েকটি গণমাধ্যমের সূত্র উল্লেখ করে ‘আনন্দ
 বাজার’ পত্রিকা ‘বিয়ে করছেন মিথিলার প্রাক্তন স্বামী তাহসান’ শিরোনামে খবর
 প্রকাশ করে।</p>



<p>এখনও তাহসান বিয়ের বিষয়ে মুখ খোলেননি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাহসান 
বলেছিলেন, ‘নিজের ব্যক্তি জীবনের কোনো কিছু তিনি মিডিয়ার সঙ্গে শেয়ার করতে 
চান না।’</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87/">সংবাদ পাঠিকাকে বিয়ে করছেন তাহসান!</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6-%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a6%9b%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
		<item>
		<title>শিশুদের প্রতি তরুণীর প্রেম</title>
		<link>https://mohonanews.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/</link>
					<comments>https://mohonanews.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[এমএন /আর]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 17 Feb 2019 09:37:56 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[উপ শিরোনাম]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[লক্ষ্মীপুর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://mohonanews.com/?p=11836</guid>

					<description><![CDATA[<p>মোহনানিউজ ডেস্ক : ছবির দৃশ্যে একজন মমতাময়ী মা তার সন্তানকে খাবার খাওয়াচ্ছেন। নিজে যেমনটা সেজেছেন সন্তানকেও তেমনটা সাজিয়েছেন। মনোরঞ্জনের জন্য ঘুরিয়েছেন পার্কে। ক্লান্তিলগ্নে বসেছিলেন পার্কের বসার সিঁড়িতে। ছবির দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে একটি সন্তানকে। এভাবে তিনি ৫০ জন সন্তানকে দুপুরের খাবার খাওয়াছিলেন। এসময় অন্ধ, প্রতিবন্ধি ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুরাও ছিলেন। তাদের আনন্দ দিতে বেলুন কিনে দিয়েছে। [&#8230;]</p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/">শিশুদের প্রতি তরুণীর প্রেম</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></description>
										<content:encoded><![CDATA[
<p>মোহনানিউজ ডেস্ক : ছবির দৃশ্যে একজন মমতাময়ী মা তার সন্তানকে খাবার খাওয়াচ্ছেন। নিজে যেমনটা সেজেছেন সন্তানকেও তেমনটা সাজিয়েছেন। মনোরঞ্জনের জন্য ঘুরিয়েছেন পার্কে। ক্লান্তিলগ্নে বসেছিলেন পার্কের বসার সিঁড়িতে। ছবির দৃশ্যে দেখা যাচ্ছে একটি সন্তানকে। এভাবে তিনি ৫০ জন সন্তানকে দুপুরের খাবার খাওয়াছিলেন। </p>



<p></p>



<p><br>এসময় অন্ধ, প্রতিবন্ধি ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুরাও ছিলেন। তাদের আনন্দ দিতে বেলুন কিনে দিয়েছে। এতক্ষণে বুঝা যাচ্ছে তিনি মা। কিন্তু না।</p>



<p></p>



<p> তিনি একজন স্বেচ্চাসেবী মানবপ্রেমী তরুণী।এ হচ্ছে শিশুদের প্রতি তার প্রেম। সম্মান ২য় বর্ষে পড়ছেন তিনি। নাম ফারজানা বিনতে মনির। ঢাকা লাল মাটিয়া মহিলা কলেজে পড়া-লেখা করলেও বাড়ি লক্ষ্মীপুর পৌর শহরে। </p>



<figure class="wp-block-image"><img loading="lazy" decoding="async" width="960" height="640" src="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-4.jpg" alt="" class="wp-image-11838" srcset="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-4.jpg 960w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-4-300x200.jpg 300w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-4-768x512.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 960px) 100vw, 960px" /></figure>



<p>ছোট বেলা থেকেই পথশিশুদের নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন তিনি। সেচ্চাসেবী একাধিক সংগঠনে কাজ করেছেন এ ফারজানা। দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার পাঠক ফোরাম শুভ সংঘ সংগঠনের সদস্য হিসেবে লক্ষ্মীপুরে কাজ করেছেন। </p>



<p></p>



<p><br> পরে তিনি ঢাকা ঢাকা লাল মাটিয়া মহিলা কলেজে ভর্তি হন। সেখানে তিনি কয়েকজন বন্ধুদের নিয়ে গঠন করেন ঢাকা কল্যাণের দৃষ্টি সংগঠন। সে সংগঠনের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) ভালোবাসা দিবসে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের লেগে ৫০ জন পথশিশুদের ভ্রমণ ও দুপুরের খাবারের আয়োজন করেন। এসময় তিনি ওই শিশুদের মুখে হাসি ফুটানো বেলুনও কেনে দিয়েছে।</p>



<ul class="wp-block-gallery columns-1 is-cropped wp-block-gallery-1 is-layout-flex wp-block-gallery-is-layout-flex"><li class="blocks-gallery-item"><figure><img loading="lazy" decoding="async" width="960" height="640" src="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-5.jpg" alt="" data-id="11839" data-link="https://mohonanews.com/?attachment_id=11839" class="wp-image-11839" srcset="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-5.jpg 960w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-5-300x200.jpg 300w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-5-768x512.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 960px) 100vw, 960px" /></figure></li></ul>



<p></p>



<p></p>



<p>এরআগে ফারজানা ব্যক্তিগতভাবে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতাল আগুনে দগ্ধ বাকপ্রতিবন্ধি একটি শিশুর চিকিৎসা ও সেবাযত্ন করেছিলেন। প্রতিদিন সকালে পরিবারের সদস্যদের মত তিনি ওই শিশুকে দেখতে যেতেন। ঔষুধসহ হাসপাতালের সব কিছুই তিনিই দেখা-শুনা করতেন। টানা দুই মাস হাসপাতালে ওই শিশুর সেবাযত্ন করেছেন। পরে পরীক্ষার জন্য  ফারজানা ঢাকা চলে যায়। কিছুদিন পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। এতে তিনি মারাত্বকভাবে ব্যধিত হয়েছিলেন।</p>



<p><br></p>



<p>এছাড়াও শীতের সময় সংগঠনের সদস্যদের নিয়ে সবার সহযোগীতায় শীতবস্ত্র বিতরণ করতেন। রমজানে অন্ধ হাফেজদের সাথে প্রায় ইফতার করেছিলেন।<br></p>



<ul class="wp-block-gallery columns-1 is-cropped wp-block-gallery-2 is-layout-flex wp-block-gallery-is-layout-flex"><li class="blocks-gallery-item"><figure><img loading="lazy" decoding="async" width="960" height="640" src="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-3.jpg" alt="" data-id="11842" data-link="https://mohonanews.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/lakshmipur-pic-3-20/" class="wp-image-11842" srcset="https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-3.jpg 960w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-3-300x200.jpg 300w, https://mohonanews.com/wp-content/uploads/2019/02/Lakshmipur-pic-3-768x512.jpg 768w" sizes="auto, (max-width: 960px) 100vw, 960px" /></figure></li></ul>



<p></p>



<p>তার এসব ব্যতিক্রমী কাজে সহযোগীতা করছেন কল্যাণের দৃষ্টি সংগঠনের সিনিয়র সদস্য জাকির হোসেন,আজহারুল ইসলাম রাকিব, মেহেদী হাসান রাব্বানী, জুনিয়ার সদস্য ইতি আক্তার, শাহারিয়ার হোসেন আদনান প্রমুখ। </p>



<p></p>



<p><br> এসময় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,লক্ষ্মীপুর জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল করিম নিশান।</p>



<p></p>



<p><br>জানতে চাইলে ফারজানা বিনতে মনির বলেন, আমি সমাজের অবহেলিত শিশুদের নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসি। তাদের সাথে একই প্লেটে খেতে আমার তৃপ্তি হয়। সমাজে এ অবহেলিত শিশুদের পাশে সামাজিক সংগঠনের সদস্যরা এগিয়ে আসলে তারা আর অবহেলিত থাকবেনা। </p>
<p>The post <a href="https://mohonanews.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/">শিশুদের প্রতি তরুণীর প্রেম</a> appeared first on <a href="https://mohonanews.com">মোহনানিউজ</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://mohonanews.com/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a4%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
			</item>
	</channel>
</rss>
